AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court on Mahua Moitra: ‘প্রতিহিংসামূলক বলে মনে হচ্ছে’, মহুয়ার মামলায় বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করল সুপ্রিম কোর্ট

Mahua Moitra Case: মহুয়া মৈত্রের তরফে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন যুক্তি দেন যে, গত ১০ বছর ধরে একজন বিধায়ক এবং পরবর্তীতে সাংসদ হিসেবে বরাবর ৩-৪ ঘণ্টার নোটিসেই সার্কিট হাউসে ঘর পেয়ে এসেছেন মহুয়া। সব সাংসদ ও বিধায়কদের ক্ষেত্রেই এই একই নিয়ম। সেই রাতে অন্যান্য ঘরে একাধিক সরকারি আধিকারিক ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন মহুয়ার আইনজীবী।

Supreme Court on Mahua Moitra: 'প্রতিহিংসামূলক বলে মনে হচ্ছে', মহুয়ার মামলায় বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করল সুপ্রিম কোর্ট
| Edited By: | Updated on: Oct 16, 2026 | 3:18 PM
Share

নয়া দিল্লি: মধ্যরাতে আচমকা নোটিস দিয়ে সার্কিট হাউস ছাড়তে বলা হয়েছিল কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। এভাবে একজনট সাংসদকে বের করে দেওয়া হল কীভাবে, এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। সেই মামলায় নোটিস সংশোধন করল শীর্ষ আদালত। নদিয়ার জেলাশাসকের চিঠি নিয়েও প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘চিঠিটি প্রতিহিংসামূলক বলে মনে হচ্ছে’। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সার্কিট হাউসে ঘর পাওয়া যাবে কি না, তার ভিত্তিতে নয়, প্রোটোকল অনুযায়ী সাংসদের আবেদনের ভিত্তিতে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের পক্ষে এদিন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে, সেই সময় সার্কিট হাউসে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। তিনি আরও জানান, দুজন অফিসার দুটি ঘরে ছিলেন, তা ছাড়া অন্য কাউকে কোনও ঘর বরাদ্দ করা হয়নি। মহুয়া মৈত্রকে একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অতিরিক্ত জেলাশাসক তাঁকে অন্য একটি সরকারি অতিথি ভবনে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। সবরকম সৌজন্য প্রদর্শন করা হয়েছে।

মহুয়া মৈত্রের তরফে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন যুক্তি দেন যে, গত ১০ বছর ধরে একজন বিধায়ক এবং পরবর্তীতে সাংসদ হিসেবে বরাবর ৩-৪ ঘণ্টার নোটিসেই সার্কিট হাউসে ঘর পেয়ে এসেছেন মহুয়া। সব সাংসদ ও বিধায়কদের ক্ষেত্রেই এই একই নিয়ম। সেই রাতে অন্যান্য ঘরে একাধিক সরকারি আধিকারিক ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন মহুয়ার আইনজীবী। কিন্তু তাদের কাউকেই ঘর খালি করতে বলা হয়নি বলে অভিযোগ জানান তিনি। তিনি আরও জানান, অন্য আধিকারিকদের কেন ঘর খালি করতে বলা হয়নি, সেই বিষয়ে রাজ্যের কোনও জবাব পাওয়া যায়নি।

বিচারপতি বাগচী বলেন যে, আদালত কোনও বিতর্কে জড়াতে চায় না, কারণ চিঠির প্রথম অনুচ্ছেদেই স্পষ্ট যে এটি একটি প্রতিহিংসামূলক চিঠি। সলিসিটর জেনারেল বলেন, এটি কোনও একজন সাংসদকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়নি। জেলার সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের জন্যই এটি প্রযোজ্য। বিচারপতি বাগচী বলেন, “আমরা চাই আপনি এটি প্রত্যাহার করে নিন।”

প্রধান বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেন যে, এই ধরনের বিরোধ সাধারণত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আসা উচিত নয় এবং এর জন্য কেবল একটি ছোট এসওপি-র প্রয়োজন। তিনি পরামর্শ দেন যে, এক সপ্তাহ বা ১০ দিন আগে জানানোর কোনও প্রয়োজন নেই। নোডাল অফিসারের মাধ্যমে ৮ ঘণ্টা বা একদিন আগে নোটিস দিলেই যথেষ্ট।

Follow Us