
ঢাকা: প্রকাশ্য রাস্তায় বোমাবাজি। ছোড়া হল গুলি। উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাংলাদেশের আগুলিয়ার জামগড়া। জানা গিয়েছে, খালেদা জিয়ার বিএনপি-র দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
গত বছরের জুলাইয়ের শুরু থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। তারপর গত ৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তিনদিন পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরও উত্তেজনা কমেনি বাংলাদেশে।
পদ্মাপারের দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের বাড়ি, দোকানে ভাঙচুর করা হয়। অভিযোগ ওঠে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় ইউনূস প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি।
কয়েকদিন আগে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পঁচিশের শেষে কিংবা ছাব্বিশের শুরুতে বাংলাদেশে ভোটের কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধিরা।
এই অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে পদ্মাপারের দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপিতে গোষ্ঠীকোন্দল সামনে এল। যেখানে বিএনপি-র দুই গোষ্ঠী রাস্তায় পরস্পরের দিকে বোমা ছুড়ল। গুলিও চালাতে দেখা যায়। সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। রাস্তায় এভাবে বোমাবাজি, গুলি চললে প্রশাসনকে কোনও পদক্ষেপ করতে দেখা যায়নি। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।