
তেহরান: একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। অন্যদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত হয়েও মাথা তোলার চেষ্টা করছে ইরান। শোনা যাচ্ছে, দুর্গম সামাজিক পরিস্থিতির পাশাপাশি রাজনৈতিক অচলাবস্থাও ক্রমশ গিলে খাচ্ছে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ানের দেশকে। এরই মাঝে ইরানের বিধ্বস্ত চেহারা খুল্লমখুল্লা সকলের সামনে আনল TV9 নেটওয়ার্ক।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইরানে TV9 ভারতবর্ষের সাংবাদিক সুমেইরা খান। টানা ৪০ দিনের যুদ্ধে তছনছ রাস্তাঘাট, বহুতল। বাগদাদ ধরে তেহরানের আজাদী স্কোয়ারে পৌঁছলেন মহিলা সাংবাদিক, ক্যামেরায় ধরা পড়ল আয়াতল্লা খামেনেই। ইরানের সর্বময় কর্তা মারা গেলেও রাস্তায় রাস্তায় ব্যানারে-পোস্টারে এখনও তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি। এরপর হরমুজ যাবেন সাংবাদিক। কী অপেক্ষা করছে সেখানে?
যুদ্ধবিরতি বা উত্তেজনা হ্রাসের পর দেশটিতে বাহ্যিক যুদ্ধের ছায়া কাটলেও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের সময় যে কড়া সেন্সরশিপ এবং দমনমূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল, তা এখনও শিথিল হয়নি। বরং ‘জাতীয় নিরাপত্তা’র দোহাই দিয়ে ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক বিধিনিষেধ আরও কঠোর করা হয়েছে। আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরান তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টা করছে, তবে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার বোঝা তাদের বৈদেশিক বাণিজ্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।