
নয়াদিল্লি: আমেরিকার সঙ্গে ভারতের অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক সমঝোতার অন্যতম শর্ত ছিল রুশ তেল থেকে মুখ ফেরাতে হবে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, পশ্চিম এশিয়া জুড়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা — সেই শর্তকেই যেন অপ্রয়োজনীয় করে তুলেছে। কয়েক মাসের মাথায় বদলে গিয়েছে ‘গ্লোবাল অর্ডার’। রুশ তেল বিমুখী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে চাহিদা মেটাতে সেই রুশ তেল কেনাতেই জোর দিচ্ছে।
শুক্রবার এই মর্মে আমেরিকার একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন এনার্জি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট বলেন, “চিন বিশ্বের চাহিদা মেটানোর কথা ভাবে না। তবে এই তেল সংকট নিয়ে আমরা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তাদেরকে আমরা জানিয়েছি, যতটা সম্ভব রুশ তেল কিনে নিতে। তাদের কাছে তেল মজুত থাকলে, তা বিশ্ব বাজারেও কিছুটা সংকটমোচনের কাজ করবে।”
Breaking: US has reached out to India for help to reduce oil prices
“We have reached out to our friends in India to buy stored Russian oil. That pulls oil into Indian refineries and releases pressure on other global refineries,” says US Energy Secretary Chris Wright pic.twitter.com/O999HcpNoy
— Shashank Mattoo (@MattooShashank) March 6, 2026
তা হলে রুশ-নীতিতে কি পরিবর্তন আনছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিতে প্রায় একই প্রকার দাবি করেছিলেন আমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। তিনি লিখেছিলেন, বিশ্বে অশোধিত তেলের বাজারকে চাঙ্গা করতে রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড় দেওয়া হল। এই ছাড় কেবল সমুদ্রপথে আটকে থাকা তেলের ট্যাঙ্কার বা জাহাজের জন্য প্রযোজ্য থাকবে। কিন্তু দূর ভবিষ্যতে এই ছাড় যে কার্যকরী হবে না, তা স্পষ্ট করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এনার্জি সেক্রেটারির কথায় বলতে গেলে, এই রুশ নীতি নমনীয় করার সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বিশ্বে বাজারকে চাঙ্গা রাখতে। পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গেলেই ফের নীতিতে বদল আনা হবে।