
নয়া দিল্লি: দিনে দিনে যা গরম পড়ছে, তাতে দুপুরে বেরনো দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। এসি ছাড়া এক চুলও থাকতে পারছেন না অনেকে। তবে সাম্প্রতিককালে এয়ার কন্ডিশনার-এর ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই এসি থেকে নানা দুর্ঘটনা, এমনকী এসিতে বিস্ফোরণের মতো ঘটনাও ঘটছে। কীভাবে সতর্ক থাকবেন?
সাধারণত এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ সহজে হয় না, তবে বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে এমন বড় দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক ত্রুটি, ক্ষতিগ্রস্ত তার, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বা নিম্নমানের কম্প্রেসারের কারণে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লাগতে পারে। এছাড়া গ্যাস লিক হলেও আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে।
এক্সপার্টরা বলছেন, একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসি চালিয়ে রাখার চেয়ে মাঝে মাঝে বিরতি দেওয়া ভালো। এতে মেশিনের উপর চাপ কমে। অর্থাৎ টানা তিন-চার ঘণ্টা এসি চালিয়ে না রেখে, মাঝে আধ ঘণ্টা বন্ধ রাখা উচিত।
এছাড়াও ফিল্টার নোংরা হয়ে গেলে, বাতাস চলাচল কমে যায়। মেশিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। তাই এসি নিয়মিত সার্ভিসিং করানো জরুরি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সঠিক ইনস্টলেশন। যদি অভিজ্ঞ লোক দিয়ে এসি ইনস্টল না করানো হয়, তাহলে ওয়্যারিং-এ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ইনস্টলেশনের কাজটি শুধুমাত্র পেশাদারদের দিয়েই করানো উচিত। সার্কিট ব্রেকারের মতো সেফটি ডিভাইস ব্যবহার করলে, ঝুঁকি কমে কিছুটা।
যদি দেখেন যে এসি থেকে অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছে বা দুর্গন্ধ বেরচ্ছে কিংবা মেশিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে, তাহলে অবিলম্বে এসি বন্ধ করে দেওয়া উচিত এবং মেকানিক ডাকা উচিত।