
কলকাতা: মাসের প্রথম দিনেই মিলেছে খারাপ খবর। একধাক্কায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম (LPG Cylinder Price Hike) প্রায় ১ হাজার টাকা বেড়ে গিয়েছে। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বাড়লেও, গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত ১৪.২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে শুধু যে দাম বেড়েছে, তাই নয়। মাসের প্রথম দিনেই গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি এলপিজি গ্রাহকদের জন্য নতুন নিয়মও চালু করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ১ মে থেকে এলপিজি-র নতুন নিয়ম (NEw LPG Rules) কার্যকর হচ্ছে। নতুন বুকিংয়ে সময়ের ফারাক যেমন বাড়ানো হয়েছে, তেমনই ওটিপি (OTP) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে গ্যাস ডেলিভারিতে।
যাদের এলপিজি ও পিএনজি সংযোগ রয়েছে, সেই সমস্ত গৃহস্থ পরিবারকে চিহ্নিত করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্য়েই ডুয়েল ওনারশিপ (Dual Ownership) নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ যাদের এলপিজি কানেকশন (LPG Connection) রয়েছে, তারা পিএনজি কানেকশন (PNG Connection) নিতে পারবেন না। আবার যাদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ আছে, তারা নতুন করে এলপিজির সংযোগ নিতে পারবেন না।
গত ১৪ মার্চ এলপিজি রেগুলেশন অর্ডারের সংশোধন করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যাদের বাড়িতে পাইপের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস আসে, তাদের ডোমেস্টিক এলপিজি কানেকশন সারেন্ডার করতে হবে। তারা নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডার রিফিল বুক করতে পারবেন না। নতুন কানেকশনও নিতে পারবেন না। অয়েল কোম্পানি ও ডিস্ট্রিবিউটরদেরও এই নিয়ম অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
যাতে দেশে এলপিজির সঙ্কট তৈরি না হয় এবং সকলে রান্নার গ্যাস পান, তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৪৩ হাজার গ্রাহক, যাদের ডুয়েল কানেকশন ছিল, তারা এলপিজি সারেন্ডার করেছে।
ইন্ডেন, ভারত গ্যাস, এইচপি গ্যাসের গ্রাহকদের বুকিংয়ের সময়সীমাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শহরাঞ্চলে একটি গ্যাসের ডেলিভারির পর পরবর্তী বুকিংয়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৪৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে।