Stock Market Crash: এক ধাক্কায় ৩০ শতাংশ বাড়ল তেলের দাম! পিছলে গেল শেয়ার বাজার, খেসারত গুনছেন বিনিয়োগকারীরা
Stock Market Crash News Today: কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য়ে চলা সংঘাত পরিস্থিতির দশম তম দিনেই কেন অস্বাভাবিক মাত্রায় পতন শেয়ার বাজারের? ওয়াকিবহাল মহল বলছে, তেল সংকট তৈরি করেছে ভয়। বিশ্ববাজারে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার মধ্য়ে গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়েছে অপরিশোধিত তেলের ব্যারল প্রতি মূল্যবৃদ্ধি।

নয়াদিল্লি: ফের সোমেই রেকর্ড পতন শেয়ার বাজারে। প্রি-ট্রেডিং সেশন থেকেই ধাপে ধাপে নামছিল গ্রাফ। বেল বাজতেই এক ধাক্কায় ভারতীয় শেয়ার বাজার উস্কে দিল ‘Black Monday’-র স্মৃতি। মধ্য়প্রাচ্যের যুদ্ধকে সামনে রেখে পরপর দু’সপ্তাহ শেয়ার বাজারের ট্রেন্ড একেবারে একই রকম। সপ্তাহের শুরুতেই অস্বাভাবিক ভাবে পতন। তার পর সারা সপ্তাহ সেই ক্ষতে চলে প্রলেপ। কিন্তু নিরাময় হয় না যন্ত্রণার। চলতি সপ্তাহের বাকি ট্রেডিং-ডে গুলিতেও কি তা হলে একই পরিস্থিতি তৈরি হবে?
সোমবার ৯টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত ধাপে ধাপে ৭৭ হাজার পয়েন্টের নীচে নেমে গিয়েছে সেনসেক্স। সূচক পড়েছে ২ হাজার ৩০০ পয়েন্টেরও বেশি। ৯ মাস পর এতটা বড় পতনের সাক্ষী বিনিয়োগকারীরা। এক ধাক্কায় সেনসেক্স নেমে এসেছে ৭৬ হাজার ৬০৮-এ। একই অবস্থা নিফটি-৫০রও, ২.৯ শতাংশ পড়ে নিফটির সূচক নেমে এসেছে ২৩ হাজার ৭৪৩ পয়েন্টের নীচে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য়ে চলা সংঘাত পরিস্থিতির দশম তম দিনেই কেন অস্বাভাবিক মাত্রায় পতন শেয়ার বাজারের? ওয়াকিবহাল মহল বলছে, তেল সংকট তৈরি করেছে ভয়। বিশ্ববাজারে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার মধ্য়ে গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়েছে অপরিশোধিত তেলের ব্যারল প্রতি মূল্যবৃদ্ধি।
এদিন বিশ্ববাজারে এক ধাক্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশ। ব্যারল প্রতি দাম পৌঁছে গিয়েছে ১১৭ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার ৬০০ টাকা। এই পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি বাজারেও ভালো মাত্রায় প্রভাব পড়তে চলেছে বলে মত একাংশের। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের খেসারত দিতে হতে পারে আমজনতাকেই। চ্য়ালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে নয়াদিল্লিকেও।
অপরিশোধিত তেলের ব্যারলের দাম বৃদ্ধি ঘিরে রক্তাক্ত হয়েছে শেয়ার বাজার। জ্বালানি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হতেই, আতঙ্ক ছড়িয়েছে জ্বালানি ভিত্তিক সংস্থায় বিনিয়োগকারীদের মধ্য়েও। অপরিশোধিত তেলকে ঘিরে যে সকল সংস্থার ব্যবসা যেমন, HPCL, BPCL, IOC, Savita Oil, GAIL — সোমবার বাজার খুলতেই এক ধাক্কায় পড়েছে এই সকল শেয়ারগুলির দাম। খোদ IOC পড়েছে ৬.৬৭ শতাংশ। HPCL পড়েছে ৭.৭৫ শতাংশ। তবে জ্বালানির বাজার যে শুধু তেলের উপরেই নির্ভরশীল, এমনটা নয়। তৈল সংকট দেখা দিতেই বিকল্প জ্বালানি হিসাবে কয়লা, তাপবিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারে এসেছে গতি।
