
নয়া দিল্লি : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট (Fuel Crisis)। প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাণিজ্যে ও জনজীবনে। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ইতিমধ্যেই পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম বাড়ানো (Petrol-Diesel Price Hike) হয়েছে। দাম বেড়েছে সিএনজিরও। যদিও গোটা দেশে নয়, সিএনজির দাম (CNG Price Hike in delhi) বেড়েছিল শুধু দিল্লিতে। কিন্তু, দুইদিন যেতে না যেতেই সেই সিএনজির দাম আরও বাড়ল। দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় সিএনজির দাম আরও এক টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ গত দুই দিনে প্রতি কেজিতে সিএনজির দাম দু’বার বৃদ্ধি করা হল।
দুই দিন আগেও দিল্লিতে সিএনজি পাওয়া যাচ্ছিল ৭৯ টাকা ৯ পয়সায়। এবার থেকে সেই দাম প্রতি কেজিতে বেড়ে হয়েছে ৮০ টাকা ৯ পয়সায় বিক্রি হবে। অর্থাৎ এক টাকা দাম বাড়ল। অন্যদিকে, নয়ডা ও গাজিয়াবাদে সিএনজির দাম প্রতি কেজিতে ৮৮ টাকা ৭০ পয়সা এবং গুরুগাঁওয়ে ৮৫ টাকা ১২ পয়সা হয়েছে। এছাড়া, মুজাফফরনগর, মিরাট ও শামলিতে এর দাম হবে প্রতি কেজিতে ৮৮ টাকা ৫৮ পয়সা, কানপুরে প্রতি কেজিতে ৯১ টাকা ৪২ পয়সা, আজমীরে ৮৯ টাকা ৪৪ পয়সা, বান্দায় ৮৬ টাকা ৪২ পয়সা এবং হাপুরে হয়েছে ৮৯ টাকা ৭০ পয়সা।
দুই দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লিতে সিএনজির দাম প্রতি কেজিতে ২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। এর আগে মুম্বইতেও সিএনজির দামে একই রকম বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। মুম্বইতে এখন সিএনজির দাম প্রতি কেজিতে বেড়ে হয় ৮৪ টাকা।
সিএনজির দাম বৃদ্ধি মানেই অটো, ক্যাব ভাড়া বাড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যেহেতু গণপরিবহনের একটি বড় অংশ এখন সিএনজিতে চলছে, তাই আশা করা হচ্ছে এই বর্ধিত খরচ যাত্রীদের ওপর চাপানো হবে। মুম্বইতে অটোরিকশা ইউনিয়নগুলো ইতিমধ্যেই ২৬ টাকা মূল ভাড়ার ওপর আরও এক টাকা বাড়ানোর দাবি জানাতে শুরু করেছে।
যদিও, কলকাতায় সিএনজির দাম এখনও পর্যন্ত বাড়েনি। বর্তমানে শহরে প্রতি কেজি সিএনজির দাম ৯৩ টাকা ৫০ পয়সা। যা দিল্লি ও মুম্বইয়ের থেকে কয়েকগুণ বেশি। এরপর যদি দিল্লি ও মুম্বইয়ের পথে এগোতে শুরু করে কলকাতা, তাহলে খুব শীঘ্রই সিএনজির দাম বাড়তে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন একই পরিস্থিতি থাকলে যে কোনও মুহূর্তে কলকাতায় ১০০ ছুতে পারে সিএনজির দাম। আর এই জ্বালানির দাম বাড়লে, অটো, ক্যাব ভাড়াও দ্বিগুণ হবে।