
নয়া দিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ হয়েও যেন হচ্ছে না। এখনও বন্ধ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। ইরান-আমেরিকার এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব জুড়েই দেখা যাচ্ছে। ভারতও ব্যতিক্রম নয়। বিশেষ করে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাস নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। জ্বালানি সঙ্কট (Fuel Crisis) বাড়ছে। পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে ইতিমধ্যেই। আরও দাম বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কাতেই দেশের বিভিন্ন শহরের পেট্রোল পাম্পগুলিতে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। লোকজন বাইক ও গাড়ি নিয়ে ট্যাঙ্ক ভর্তি করছেন। কেউ কেউ আবার প্লাস্টিকের ট্যাঙ্কার নিয়ে পেট্রোল পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, পেট্রোল পাম্প থেকে কতটা পেট্রোল বা ডিজেল কেনা যায়?
নিয়ম হল, আপনি আপনার গাড়িতে ইচ্ছামতো পেট্রোল ভরতে পারেন। অর্থাৎ ফুল ট্যাঙ্ক করাতে পারেন। তবে যদি পেট্রোল এবং ডিজেল আলাদাভাবে কেনার কথা বলা হয়, তাহলে সাধারণত একটি ক্যানে দুই থেকে পাঁচ লিটার পেট্রোল কিনতে পাওয়া যায়। অনেক পেট্রোল পাম্প আবার অনুরোধ করলে ৫-১০ লিটার তেলও দিয়ে থাকে। তবে, এটি সাধারণ প্লাস্টিকের বোতলে পাওয়া যায় না, কেবল স্টিল বা ভারি প্লাস্টিকের বোতলেই পাওয়া যায়।
যদি কেউ ড্রামে ২০, ৫০ বা ২০০ লিটার পেট্রোল-ডিজেল কিনতে চান, তাহলে একটি অনুমতিপত্র বা লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। এই নিয়মটি ১৯৩৪ সালের পেট্রোলিয়াম আইনে নির্ধারিত আছে। এই আইন অনুসারে, গ্রাহকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে তারা কী উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ পেট্রোল-ডিজেল কিনতে চান।
যদি কেউ আরও জ্বালানি মজুত করতে চান, তাহলে তাকে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস সেফটি অর্গানাইজেশন (PISO) থেকে বিশেষ লাইসেন্স নিতে হয়। লাইসেন্স ছাড়া বাড়িতে বিপুল পরিমাণে জ্বালানি মজুত করা শুধু বেআইনিই নয়, নিরাপত্তার দিক থেকেও অত্যন্ত বিপজ্জনক।