
নয়া দিল্লি: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ সব দেশেই প্রভাব ফেলেছে। ভারতও সেই প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি। ফরেন রিজার্ভ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আপাতত এক বছর সোনা কিনতে বারণ করেছেন। বিদেশ ভ্রমণ ও ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করতেও না করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আর্জির পরই সোনায় আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সোনার দাম বেড়েছে। নতুন সোনা কিনবেন কি না, তা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে পুরনো সোনা নিয়েও নিয়ম রয়েছে। সেটা অনেকেই জানেন না। বাড়িতে কত সোনা রাখা যায় জানেন? কত সোনা রাখলে আপনি গ্রেফতার হতে পারেন?
সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT) ১৯৯৪ সালেই সোনা রাখা নিয়ে গাইডলাইন জারি করেছিল। তবে যদি কেউ ওই নির্দিষ্ট সীমার বেশি সোনা রাখেন, তবে তা সম্পূর্ণ বেআইনি বলা যায় না। তবে ওই সীমার বেশি সোনা রাখলে, সোনার উৎস জানাতে হবে। যদি তা প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে সোনা বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
অবিবাহিত মহিলা- অবিবাহিত মহিলারা নিজেদের কাছে সর্বাধিক ২৫০ গ্রাম সোনার গহনা থাকতে পারে।
বিবাহিত মহিলা- অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতরা বেশি সোনা রাখতে পারেন। বিবাহিত মহিলারা সর্বাধিক ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনার গহনা রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে বৈধ নথি না থাকলেও সমস্যা নেই। আয়কর দফতর এই সোনা বাজেয়াপ্ত করতে পারে না।
পুরুষ– পুরুষরা নিজেদের কাছে সর্বাধিক ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনার গহনা রাখতে পারেন। এই পরিমাণ সোনা রাখলে, আয়কর দফতর সোনা বাজেয়াপ্ত করতে পারে না।
নির্দিষ্ট সীমার বেশি যদি কারোর কাছে সোনা থাকে এবং যদি আয়কর দফতর তার প্রমাণ দেখতে চায়, তাহলে-
সোনা কেনাকাটির ক্ষেত্রেও একাধিক নিয়ম আছে। একদিনে সোনার গহনা কেনার ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকার বেশি নগদে পেমেন্ট করা যায় না। এর থেকে বেশি দামের সোনা কিনলে, কার্ড বা চেকের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে। যদি কেউ ২ লক্ষ টাকার বেশি পেমেন্ট করেন,তাহলে প্য়ান নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।