Bangladesh Railways: বাংলাদেশের ট্রেনে থাকবে ভারতের ছোঁয়া, পদ্মাপারে ২০০টি অত্যাধুনিক কোচ পাঠাবে রাইটস লিমিটেড

Railways: বাংলাদেশের জন্য ২০০টি অত্যাধুনিক কোচ সরবরাহের এই প্রকল্প শুধু ট্রেনের কামরা রপ্তানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। যাত্রীদের আরাম, নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের নিজস্ব রেল পরিচালনার ব্যবস্থার সঙ্গে মিল - এই তিন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কোচগুলি বানানো হয়েছে। প্রথম দফায় ১৮টি কোচ পাঠানো হবে।

Bangladesh Railways: বাংলাদেশের ট্রেনে থাকবে ভারতের ছোঁয়া, পদ্মাপারে ২০০টি অত্যাধুনিক কোচ পাঠাবে রাইটস লিমিটেড
বাংলাদেশি ট্রেনImage Credit source: Getty Images

|

Oct 14, 2026 | 7:28 PM

কলকাতা: ভারত ও বাংলাদেশের রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলাদেশের রেল পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহের চুক্তি করেছে ভারতীয় সংস্থা RITES Ltd.। সেই চুক্তির অধীনে প্রথম দফায় ১৮টি অত্যাধুনিক LHB যাত্রীবাহী কোচ বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম দফার কোচগুলি পাঠানো হয়। পাঞ্জাবের কপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি হচ্ছে এই কোচগুলি। মোট ৭ ধরনের কোচ সরবরাহ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের যাত্রীদের আরও আরামদায়ক ও উন্নত রেল পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। RITES Ltd. এর তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম দফায় পাঠানো ১৮টি কোচের মধ্যে রয়েছে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কার, ৩টি এসি চেয়ার কার, ২টি এসি স্লিপার কোচ ও ২টি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলিতে গার্ডের জন্য আলাদা ঘর ও লাগেজ রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। ফলে যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি ট্রেন পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও এই কোচগুলিতে রাখা হয়েছে। ভারতীয় রেলওয়ের অধীন কপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি এই কোচগুলি বাংলাদেশের রেলওয়ের চাহিদা ও পরিচালন ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই কোচগুলিতে রয়েছে একাধিক উন্নত সুবিধা। এসি কোচগুলিতে ফ্যান, সিসিটিভি ও যাত্রীদের জন্য অ্যালার্ম সিস্টেম রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জানালার একটি অংশ খোলা রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হল বেবি কেয়ার রুম ও প্রার্থনার জন্য আলাদা ঘর। শিশুদের দেখাশোনা করা, যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বেবি কেয়ার রুম তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশেষভাবে রিক্লাইনিং সিট ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি ইউরোপীয় নিরাপত্তার মান EN 15227 অনুযায়ী ক্র্যাশ-প্রতিরোধী নকশাও বানানো হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সংঘর্ষের অভিঘাত সামলাতে ও যাত্রী সুরক্ষা বাড়াতে কোচের বডি শেলে পরিবর্তন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য ২০০টি অত্যাধুনিক কোচ সরবরাহের এই প্রকল্প শুধু ট্রেনের কামরা রপ্তানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। যাত্রীদের আরাম, নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের নিজস্ব রেল পরিচালনার ব্যবস্থার সঙ্গে মিল – এই তিন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কোচগুলি বানানো হয়েছে। প্রথম দফায় ১৮টি কোচ পাঠানো হবে। বাকি কোচগুলি নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ করা হলে বাংলাদেশের রেল পরিষেবা আরও উন্নত মানের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us