JIO IPO Listing: ছেলে-মেয়ের কথা শুনে চোখ চিকচিক, জিওর শেয়ার বাজারে এন্ট্রির দিনই কান্না মুকেশ অম্বানির

Mukesh Ambani: ছেলে অনন্ত আম্বানিও জিও নামের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করলেন। তাঁর কথায় , 'জিও' অর্থ 'দীঘায়ু হও'। এই কথা প্রায়শই আমাদের মা-ঠাকুমারা বলেন। এই প্রসঙ্গ থেকেই জিও নামের উৎপত্তি। জিও-কে ঘিরে একাধিক ভাল সময়ের কথা বলতে গিয়ে অনন্তের বক্তব্যে উঠে এল এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি।

JIO IPO Listing: ছেলে-মেয়ের কথা শুনে চোখ চিকচিক, জিওর শেয়ার বাজারে এন্ট্রির দিনই কান্না মুকেশ অম্বানির
মুকেশ অম্বানিImage Credit source: Getty Images

|

Oct 28, 2026 | 2:17 PM

মুম্বই: মোবাইল, টেলিকম দুনিয়াতে বিপ্লব ঘটানোর পর এবার শেয়ার বাজার ও ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টেও অভিষেক হল জিওর। আজ, বুধবার তালিকাভুক্তি হল জিও প্ল্যাটফর্মস। এই অনুষ্ঠানেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ অম্বানি। তাঁর ছেলে অনন্ত ও মেয়ে ঈশা অম্বানি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময় চোখের জল মুছতে দেখা যায় তাঁকে। জিও প্ল্যাটফর্মের এই অনুষ্ঠানে আগামী দিনের পরিকল্পনা, পরিবার ও দেশের মানুষদের জীবনে জিওর ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন অনন্ত ও ঈশা। তাঁদের কথায় উঠে আসে জিওর যাত্রা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা।

এই অনুষ্ঠানে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর পুরোনো দিনের কথা তুলে ধরলেন সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ঈশা অম্বানি। পরিবারের সঙ্গে এক সাম্প্রতিক কথোপকথনের কথা যেয়ার করে তিনি জানান, “কয়েক দিন আগে ডিনার টেবিলে বসে ১৯৭৭ সালের কথা বলছিলেন বাবা। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। তিনি রিলায়েন্সের প্রথম আইপিও নিয়ে কাজ করছিলেন। আমার ঠাকুরদা ধীরুভাই অম্বানি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, রিলায়েন্সের এই সাফল্যের অংশীদার হবেন সাধারণ মানুষ।” এরপর তিনি জিও-র আর্থিক সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন,“কোম্পানিটি মাত্র ১০ বছরেই বিশাল জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। এই ১০ বছরে জিও প্রায় ১৫.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে ও প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার মুনাফা করেছে। সারা বিশ্বে ১০ বছরের মধ্যে এই সাফল্য খুব কম কোম্পানিই পেয়েছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব সাধারণ মানুষের।”

এমনকি নিজের বাবাকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনও করেন ঈশা। তিনি বলেন, “আমার বাবা বারবার সেই ভবিষ্যৎ দেখেছেন, যা অন্যরা এখনও দেখতে পায়নি। বারবার, আমার বাবা সেই সাহস দেখিয়েছেন, যা অন্যরা অসম্ভব বলে দাবি করত। আর বাবার স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বারবার অনেক প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে সাধারণ মানুষের।” এরপরেই বাবাকে তিনি বলেন, “বাবা, অনেক ভালবাসি তোমাকে। আজ তোমার জন্য আমরা এখানে আছি।” যদিও তিনি জানান, আইপিও কোনও শেষ পয়েন্ট নয়, বরং জিওর ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ছোট্ট ধাপ।

ছেলে অনন্ত আম্বানিও জিও নামের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করলেন। তাঁর কথায় , ‘জিও’ অর্থ ‘দীঘায়ু হও’। এই কথা প্রায়শই আমাদের মা-ঠাকুমারা বলেন। এই প্রসঙ্গ থেকেই জিও নামের উৎপত্তি। জিও-কে ঘিরে একাধিক ভাল সময়ের কথা বলতে গিয়ে অনন্তের বক্তব্যে উঠে এল এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। এরপরেই মুকেশ অম্বানির চোখ চিকচিক করতে দেখা যায়। এবং অম্বানি পরিবারের তরফে আশা করা হচ্ছে, বাকি ব্যবসার মতোই এই ব্যবসাতেই আকাশছোঁয়া সাফল্য পান তাঁরা।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us