
নয়া দিল্লি: ইরান-আমেরিকার সংঘাতের আঁচ পড়ছে ভারতেও। এলপিজি (LPG)-র সঙ্কট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। সিলিন্ডার থেকে শুরু করে জ্বালানি, তেল- সব কিছুরই দাম বাড়ছে। ইতিমধ্যেই ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের (Commercial LPG Cylinder) দাম বেশ কয়েক ধাপে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত ১৪.২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়েনি।
সাধারণত গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত ১৪.২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ৩০ দিন চলে। তবে এই সঙ্কটকালীন সময়ে যেহেতু এলপিজির জোগান নিয়ে সমস্যা, তাই অনেকেই চাইছেন একটি সিলিন্ডার বেশিদিন চালাতে। ৩০ দিনের বদলে একটি এলপিজি সিলিন্ডার কীভাবে ৪৫ দিন চালাবেন, জেনে নিন তার সহজ টিপস-
সরাসরি কুকারে দেওয়ার আগে যদি চাল-ডাল আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখেন, তাহলে ২০ শতাংশ আগে রান্না হয়ে যাবে। এতে গ্যাস অনেকটা বাঁচবে।
যদি দেখেন যে আপনার গ্যাস বার্নার থেকে হলুদ বা কমলা রঙের আগুনের শিখা বের হচ্ছে, তাহলে বুঝবেন আপনার টাকা ধ্বংস হচ্ছে, গ্য়াস অযথা পুড়ছে। যদি আগুনের শিখার রঙ নীল হয়, তাহলে বুঝবেন বার্নার ঠিক আছে। হলুদ বা কমলা শিখা বের হওয়ার অর্থ হল বার্নার নোংরা হয়েছে। টুথব্রাশ দিয়ে বার্নারের ফুটো গুলি সাফ করা দরকার।
যদি আপনি ঢাকা খুলে রান্না করেন, তাহলে গরম বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, ফলে রান্না হতে বেশি সময় লাগে। সবসময় ঢাকা দিয়ে রান্না করা উচিত। এতে ৩০ শতাংশ আগে রান্না হয়।
ভেজা প্যান সরাসরি গ্যাস বার্নারে বসাবেন না। এতে আগুনে আগে প্যান শুকনো হয়, তারপর প্যান গরম হয়ে রান্না হতে শুরু করে। তাই আগে পাত্র শুকিয়ে তারপরই রান্না শুরু করা উচিত।
সাধারণ কড়াইয়ের বদলে প্রেসার কুকারে রান্না করা উচিত। এতে চারগুণ তাড়াতাড়ি রান্না হয়।
যদি দুধ, সবজি বা আদা-ময়দা মাখা থাকে, তাহলে সরাসরি রান্নায় বসাবেন না। অন্তত এক ঘণ্টা আগে বের করে রাখুন। যেহেতু ঠান্ডা জিনিস গরম হতে দ্বিগুণ জ্বালানি খরচ হয়, তাই খাবার আগে রুম টেম্পারেচারে আনুন, তারপর রান্নায় বসান।
বড় বার্নারে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি গ্য়াস খরচ হয় ছোট বার্নারের তুলনায়। তাই খুব বেশি প্রয়োজন না হলে, ছোট বার্নারই ব্যবহার করুন।