
নয়া দিল্লি: অ্যাপেলের সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন টিম কুক। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সিইও পদে থাকছেন না তিনি। নতুন সিইও হচ্ছেন জন টের্নাস। সেক্ষেত্রে এক নতুন যুগ শুরু হতে চলেছে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, টিম কুকের নেতৃত্বে অ্যাপেল সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে। প্রায় ১৫ বছর ধরে অ্যাপলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। টিম কুকের নেতৃত্বে অ্যাপেল মাইক্রোসফট এবং গুগলের মতো বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলোকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণ করেই ধীরে ধীরে সংস্থাকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গিয়েছেন তিনি।
১৯৯০ থেকে ২০২৬। অ্যাপেলকে আমূল বদলে দিয়েছেন টিম কুক। আজ থেকে ১৫ বছর আগে যখন টিম কুক অ্যাপলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন কেউই কল্পনা করতে পারেনি যে এই কোম্পানি একদিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্রযুক্তি সংস্থা হয়ে উঠবে। ২০১১ সালের ২৪ অগস্ট যখন তিনি সিইও হন, তখন অ্যাপলের শেয়ারের দাম ছিল মাত্র ১৩.৪৪ ডলার। যা ভারতীয় মুদ্রায় ১২৫৫ টাকা ৮৫ পয়সা। আর কোম্পানির মোট মূল্য প্রায় ১৯৭ বিলিয়ন ডলার। যা ভারতীয় মুদ্রায় ১৮ লক্ষ ৪১ হাজার কোটি।
কত শেয়ার বাড়ল অ্যাপেলের?
আর আজ সেই কোম্পানির শেয়ারের দাম থেকে বাজার মূলধন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ সালে একই কোম্পানির বাজার মূলধন ৪.০১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং এর শেয়ারের দাম ২৭৩ ডলার অতিক্রম করেছে। এর অর্থ হল, কুকের মেয়াদকালে অ্যাপেলের মূল্যায়ন এবং শেয়ারের দাম উভয়ই ২০ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
অ্যাপেলের রেকর্ড বৃদ্ধি
কুকের নেতৃত্বে অ্যাপেল শুধু উন্নতির শিখরেই পৌঁছয়নি, বরং ব্যবসায়িক মডেলকেও নতুনভাবে তুলে ধরেছেন। কোম্পানি অ্যাপেল মিউজিক, আইক্লাউড এবং অ্যাপ স্টোরসহ একাধিক পরিষেবা বিভাগকে দ্রুত প্রসারিত করে নতুন ও স্থিতিশীল আয়ের উৎস তৈরি করেছে। এ কারণেই ডামাডোলের বাজারেও
অ্যাপেল ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
১৫ বছরের মধ্যে অ্যাপেল বেশ কয়েকটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে। কোম্পানি প্রথমে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি, তারপর ২ ট্রিলিয়ন ডলার, এরপর ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি অতিক্রম করে এখন ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে যোগ দিয়েছে। প্রতিযোগিতায় এটি মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে।