UPI-তে MDR চালু হচ্ছে ১৫ অক্টোবর! ৮০০০ টাকার বিল ৪ বার ২০০০ টাকা করে দিলে কি চার্জ লাগবে না?

UPI MDR Charges: ব্যাঙ্ক ক্রমাগত কাস্টমার বা গ্রাহকদের ট্রানজাকশনের উপরে নজর রাখে। এটি প্রতারণা এড়ানোর সিস্টেমেরই অংশ। ফলে যদি কোনও গ্রাহক ভাগে ভাগে একই অঙ্কের টাকা কোনও ব্যবসায়ীকে পরপর পাঠায়, তবে তা ব্যাঙ্কিং সিস্টেমে অস্বাভাবিক হিসাবে চিহ্নিত হবে।

UPI-তে MDR চালু হচ্ছে ১৫ অক্টোবর! ৮০০০ টাকার বিল ৪ বার ২০০০ টাকা করে দিলে কি চার্জ লাগবে না?
ফাইল চিত্র।Image Credit source: Getty Image

|

Sep 27, 2026 | 9:47 AM

নয়া দিল্লি: অনলাইনে লেনদেন আর ফ্রি থাকছে না। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর বসবে। তবে এই চার্জ ন্যূনতম। ০.০৪ শতাংশ এমডিআর লাগু হবে ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনে। এই এমডিআর নিয়ে বহু মানুষের মনেই সংশয় রয়েছে। অনেকেই আবার এমডিআর দেওয়ার ভয়ে ২০০০ টাকার নীচেই শুধু লেনদেন করবেন বলে ভাবছেন। ধরুন কারোর যদি কেনাকাটায় ৮০০০ টাকা বিল হয় এবং গ্রাহককে ২০০০ টাকা করে চার ধাপে পেমেন্ট করতে বলা হয়, তাহলে সত্যি কি দোকানদার এমডিআর এড়াতে পারবেন?

প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে এমডিআর একমাত্র পার্সন টু মার্চেন্ট ট্রানজাকশন (P2M)-এ বসবে। পিটুপি বা পার্সন টু পার্সন ট্রানজাকশনের ক্ষেত্রে ইউপিআই সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ আপনি যদি কোনও বন্ধু বা আত্মীয়কে ৫-১০ হাজার টাকাও পাঠান ইউপিআইয়ের মাধ্যমে, তাহলে কোনও চার্জ লাগবে না। কিন্তু কোনও দোকান থেকে ২০০০ টাকার বেশি দামের জিনিস কিনলে, সেক্ষেত্রে এমডিআর বসবে। এক্ষেত্রেও এমডিআর গ্রাহক অর্থাৎ আপনাকে দিতে হবে না। এই চার্জ ব্যবসায়ীর উপরে বসবে।

এবার আসা যাক আসল প্রশ্নে। ৮০০০ টাকার বিল হলে কি ২০০০ টাকা চার ধাপে দেওয়া যাবে? এর সহজ উত্তর হল, না। কারণ ব্যাঙ্ক সমস্ত লেনদেনের উপরে নজর রাখে। সেক্ষেত্রে এই অস্বাভাবিক প্যাটার্ন লক্ষ্য করলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

এমডিআরের হিসাব প্রতিটি ট্রানজাকশনের উপরে ভিত্তি করে হবে। ফলে চারবারে দুই হাজার টাকা করে আট হাজার টাকা দেওয়া হয়, তবে তা এমডিআর চার্জের সীমার নীচে থাকছে। সেখানে একবারে আট হাজার টাকা দিলে এমডিআর চার্জ বসবে।

এখনও পর্যন্ত ন্যাশনাল পেমেন্ট, কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার গাইডলাইনে পেমেন্টের দৈনিক কোনও লিমিট বা সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে ব্যাঙ্ক ক্রমাগত কাস্টমার বা গ্রাহকদের ট্রানজাকশনের উপরে নজর রাখে। এটি প্রতারণা এড়ানোর সিস্টেমেরই অংশ। ফলে যদি কোনও গ্রাহক ভাগে ভাগে একই অঙ্কের টাকা কোনও ব্যবসায়ীকে পরপর পাঠায়, তবে তা ব্যাঙ্কিং সিস্টেমে অস্বাভাবিক হিসাবে চিহ্নিত হবে। সেক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের অটোমেটেড সিকিউরিটি সিস্টেম অতিরিক্ত যাচাই শুরু করতে পারে। এতে ট্রানজাকশন সীমিত সময়ের জন্য ব্লক হয়ে যেতে পারে বা ইউপিআই সার্ভিস বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এছাড়া প্রত্য়েক ব্যাঙ্কেই গ্রাহকদের ডেইলি ট্রানজাকশন লিমিট থাকে। বারবার পেমেন্ট করলে, সেই লিমিট দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে পরে আর অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে না।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us