Stock Market Crash: সোমবারে সাড়ে সর্বনাশ? ডুবে যাবে সব টাকা? দালাল স্ট্রিটের রক্তাক্ত রিপোর্ট বলছে…
Share Market: মার্কিন বাজারের এই মন্দা, পতনের কারণ হিসাবে ট্রাম্পের ট্যারিফ সিদ্ধান্ত এবং মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা। ৫ বছরে মূল্যবৃদ্ধির হার ৩.৫ শতাংশে পৌছেছে, যা ১৯৯৫ সালের পর সর্বোচ্চ। মাইক্রোসফট, গুগল, মেটা, এনভিডিয়া আইবিএম, অ্যামাজন, অ্যাডোবে, ওয়ালমার্ট, টেসলার মতো সংস্থার শেয়ারে গড়ে ২ থেকে ৪ শতাংশ পতন হয়েছে।

মুম্বই: দালাল স্ট্রিটে রক্তপাত। বিগত ৬ মাস ধরে সময়টা খারাপ যাচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। লাগাতার পতন সেনসেক্স-নিফটিতে। চোখের নিমেষেই বাজার থেকে উবে গিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। রীতিমতো কপাল চাপড়াতে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। তবে একা যে ভারতের শেয়ার বাজার ডুবেছে, তা নয়। ভরাডুবি হয়েছে মার্কিন শেয়ার বাজারেও। আজ, সোমবার শেয়ার বাজার খুললে কি আমেরিকার মতো পরিস্থিতি হবে ভারতের?
ট্রাম্পের ট্যারিফ ও মূল্যবৃদ্ধির কোপে ধসে গিয়েছে সে দেশের শেয়ার বাজার। এই পরিস্থিতিতে সোমবার ভারতের শেয়ার বাজারের অবস্থা কী হবে, তা নিয়ে উদ্বেগে বিনিয়োগকারীরা। শুক্রবার থেকেই চরম মন্দা দেখা দিয়েছে মার্কিন বাজারে। এস অ্য়ান্ড পি গ্লোবালের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন শেয়ার বাজারে আরও মন্দা আসতে চলেছে। সূচকের গতি ধীর হবে। বৃদ্ধি ১৭ মাসে সর্বনিম্ন হারে পৌঁছতে পারে।
মার্কেটের পরিসংখ্যান বলছে, এস অ্যান্ড পি ৫০০ এবং ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল গড়ে ১.৭ শতাংশ হারে পতন হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বরের পর এটাই একদিনে সবথেকে নিম্ন পতন। ন্যাসডাকেরও পতন ২ শতাংশের বেশি হয়েছে।
মার্কিন বাজারের এই মন্দা, পতনের কারণ হিসাবে ট্রাম্পের ট্যারিফ সিদ্ধান্ত এবং মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা। ৫ বছরে মূল্যবৃদ্ধির হার ৩.৫ শতাংশে পৌছেছে, যা ১৯৯৫ সালের পর সর্বোচ্চ। মাইক্রোসফট, গুগল, মেটা, এনভিডিয়া আইবিএম, অ্যামাজন, অ্যাডোবে, ওয়ালমার্ট, টেসলার মতো সংস্থার শেয়ারে গড়ে ২ থেকে ৪ শতাংশ পতন হয়েছে।
শুক্রবার আমেরিকার শেয়ার বাজারে নিফটি পতন হয়ে ২২,৭৯৫.৫০-এ দাঁড়িয়েছে। ভারতেও সেনসেক্স ও নিফটির পতন হয়েছে শুক্রবার। লাগাতার চারদিন ধরেই এই পতন অব্যাহত। আজ, সোমবার বাজার খুলতেই হুড়মুড়িয়ে সেনসেক্স-নিফটির সূচক পড়বে কি না, তা জানা যাবে কিছুক্ষণেই। তবে আমেরিকার কারণেই যে ভারতের শেয়ার বাজারেও প্রভাব পড়তে চলেছে, এই শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

