Share Market: শেয়ার বাজার আবার জাগবে কবে? কী বলছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা?

Share Market: ফেড রেট কমাতে দেরি ছাড়াও, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় টাকার নতুন দাম সবই শেয়ার বাজারে পারা পতনের নেপথ্যে কাজ করছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একটা বড় অংশ।

Share Market: শেয়ার বাজার আবার জাগবে কবে? কী বলছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা?
ফাইল চিত্র

Apr 18, 2024 | 11:40 PM

কলকাতা: ধসের পর ধস, ধস থামার কোনও চিহ্নই দেখা যাচ্ছে না দালাল স্ট্রিটে। এর জন্য আবার বাজার বিশেষজ্ঞদের অনেকে আমেরিকার কথা বলছেন। শুধু ভারত নয়, গোটা ইউরোপ ও ব্রিটেনের নজর আমেরিকার সিদ্ধান্তের দিকে। সে সব সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই শেয়ার বাজারে বড় মাত্রায় উত্থান-পতন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বেশি মাত্রায় শেয়ার বাজারে পতনের আশঙ্কাই করা হচ্ছে।  মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির কারণে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ পলিসি রেট কমাতে পারছে না। অনেকেই মনে করেছিলেন যা হয়তো দ্রুত কমে যাবে। কিন্তু, সেরকম কোনও ছবি দেখতে পাওয়া যায়নি। ইউএস ফেডের চেয়ারম্যান মঙ্গলবার রাতেও ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ২ শতাংশে না গেলে কোনও পরিবর্তন দেখতে পাওয়া মুশকিল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর অর্থ আগামী মে ও জুনের বৈঠকে সম্ভাব্য কাটছাঁটের যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল তা স্থগিত করা হতে পারে। 

মার্চ মাসে, মার্কিন খুচরো মূল্যস্ফীতি বার্ষিক ভিত্তিতে ৩.৫ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের প্রত্যাশা ছিল যা থাকতে পারে ৩.৪ শতাংশের ঘরে। মার্কিন খুচরো বিক্রয়ও ২০২৪ সালের মার্চ মাসে মাসে ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা আবার ০.৩ শতাংশের পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক বেশি। বর্তমানে আবার ফেড হার ৫.২৫ শতাংশ থেকে ৫.৫০ শতাংশে চলে গিয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেড চেয়ারম্যানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কারণে শেয়ারবাজারে বিক্রির চাপ দেখা যেতে পারে। যদি ভারতের কথা বলা হয় তাহলে দেখা যাবে গত চারদিন ধরে দালাল স্ট্রিটে একটানা দরপতন হয়েছে। বিশেষ করে গত সপ্তাহে আমেরিকা মার্চের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর ভারতীয় শেয়ার বাজার আরও পতনের সাক্ষী হয়েছে। ফেড রেট কমাতে দেরি ছাড়াও, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় টাকার নতুন দাম সবই শেয়ার বাজারে পারা পতনের নেপথ্যে কাজ করছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একটা বড় অংশ। এদিন বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক সেনসেক্স ৪৫৫ পয়েন্ট কমে ৭২,৪৮৮.৯৯ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছে। তবে, ট্রেডিং সেশনে এটি ৭২,২৬৫.৬৭ পয়েন্টেও পৌঁছে গিয়েছিল। 

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us