
কলকাতা: দলের বর্ষীয়ান নেতা তিনি। কিন্তু ভোটবঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধেই উঠেছে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ। পাশাপাশি তাঁর নামও জড়িয়েছিল কয়লা দুর্নীতি মামলায়। এবার সেই মলয় ঘটককে নিয়েই প্রশাসনিক মহলে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। মলয় ঘটককে দফতরের কাজ দেখতে বারণ করা হয়েছে বলে চর্চা। প্রশাসন সূত্রে দাবি, বেশ কয়েকজন জুডিশিয়াল অফিসার বদলি নিয়ে মলয়ের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। এনিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ না খুললেও দলীয় সূত্রে খবর দফতরের কাজে মাথা না গলাতে বারণ করা হয়েছে আইনমন্ত্রীকে বলে সূত্রের খবর।
একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, বার কাউন্সিলের নির্বাচন নিয়ে জটিলতার সূত্রপাত। সোম ও মঙ্গলবার বার কাউন্সিলের নির্বাচন। জানা যাচ্ছে, এই নির্বাচনেই মলয়ের কিছু পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন নেত্রী। তা নিয়ে আলোচনার জন্য মলয়কে ডেকেও পাঠিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেই আলোচনাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত জানিয়ে দেন, আইন দফতর আপাতত তিনিই দেখবেন। যদিও তা বিজ্ঞপ্তি আকারে কিছু সামনে আসেনি।
গত শুক্রবার মলয় ধর্মতলায় তৃণমূল নেত্রীর ধর্না-মঞ্চে এসেছিলেন। কিন্তু সেখানেও তৃণমূল নেত্রী তাঁকে নিজের অসন্তোষের কথা জানিয়ে দেন। তার পর থেকে অবশ্য এই কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, এর আগেও শ্রম দফতরের মন্ত্রী থাকাকালীন মলয় ঘটকের বেশ কিছু কাজ, সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে সে বিষয়ে প্রকাশ্যে বলতেও দেখা গিয়েছিল। মমতা-সরকারের দ্বিতীয় ইনিংসেও মলয় ঘটক দফতরহীন মন্ত্রী ছিলেন। পাশাপাশি আসালসোল সংগঠনের কাজেও মলয় ঘটকের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ রয়েছে দলের অন্দরে।