
বারাসাত: স্ট্রং রুমে নজরদারি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় অভিযোগ। এবার অভিযোগ এল বারাসাত (Barasat) থেকে। সিসিটিভি বন্ধ বারাসাত স্ট্রং রুমে। অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) এবং অশোকনগরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী। স্ট্রং রুমের সামনে হাজির হয় তৃণমূল কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
বারাসাত গভর্নমেন্ট কলেজ এ স্ট্রং রুমে সিসিটিভি বন্ধ ছিল দীর্ঘক্ষণ, এমনটাই অভিযোগ করছেন সব্যসাচী দত্ত। জানা গিয়েছে, এই স্ট্রং রুমে বারাসাত, হাবড়া, অশোকনগর, দেগঙ্গা-চারটি বিধানসভার ইভিএম রয়েছে। গণনা হবে এখানেই। স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ফুটেজের একটি আউটপুট দেওয়া ছিল মাঠে।
তৃণমূলের অভিযোগ, সকাল ৮টা ৫ মিনিট থেকে ৮টা ২২ মিনিট পর্যন্ত সিসিটিভির মনিটরগুলি সম্পূর্ণ কালো ছিল। স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের কর্মীরা ছুটে আসেন। অশোকনগরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামীও আসেন এই কেন্দ্রে। ভিতরে যান তারা। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফেও এসডিপিও, এআরও আসেন। উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয় স্ট্রং রুমে।
তৃণমূল সিসিটিভি বন্ধের দাবি করলেও, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্ট্রং রুমের ভিতরে সিসিটিভি চলছিল। কেউ মনিটর অফ করে দিয়েছিল। তৃণমূল এরপরে দাবি করে যে এই ২২ মিনিটের ফুটেজ দেখাতে হবে। পাশাপাশি যে মনিটর অফ করেছে, তাঁকে খুঁজে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে তাঁর বিরুদ্ধে।
সব্যসাচী দত্ত বলেন, “৮টা ৫ মিনিট থেকে সিসিটিভির ফিড ব্ল্যাক আসছে। আমাদের লোকেরা বসে আছে, তারা দেখছে ক্য়ামেরা বন্ধ। আমাদের ফুটেজ দেখাতে হবে। ইলেকশন কমিশন খেলা করছে নাকি আমাদের সঙ্গে। আদালতে যাব যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়”।
অশোকনগরের প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী বলেন, “৮টা ২২ মিনিট পর্যন্ত সিসিটিভি মনিটর বন্ধ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের টেনশন হয়। এআরও আমায় দেখালেন যে ম্যাজিস্ট্রেটকে ফুটেজ পাঠিয়েছেন, তাতে সিসিটিভি অন ছিল। কেউ যদি টিভিটা অফ করে দেয়, তাহলে কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। আমাদের আগে স্যাটিসফাই করতে হবে হোয়াট ইজ হোয়াট।”
বারাসাতের এআরও অভিজিৎ দাস ঘটনার ব্যাখ্য়া দিয়ে বলেন, “৮টা ৫ থেকে ৮টা ২০ পর্যন্ত ফিড পাওয়া যায়নি। আমাদের কাছে ৮টা ৭-এ খবর আসে। ৮টা ২০-র মধ্য়ে এসডিও স্যরও চলে আসেন। বাইরের মনিটরের পাওয়ার অফ করা ছিল। পাওয়ার বাটন অন করতেই চালু হয়ে যায়। আমরা ৭টা ৫০ থেকে ৮টা ২২ পর্যন্ত ফিড দেখাবো। বাইরে থেকে সুইচ অফ করা হয়েছিল। কারা করেছিল, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
উল্টোদিকে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয় যে তাঁদেরকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।