মমতা দিদি এখন অভিযোগ করছেন ইভিএম নিয়ে। আমি বলব, আপনি যখন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখনও একই ইভিএম ছিল। আজ যখন আপনার যাওয়ার পালা, তখন আপনি ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
মোদীজি বাংলার সকল গরীব মানুষকে ঘর দিয়েছেন, শৌচাগার দিয়েছেন, ৫ কিলো চাল দিয়েছেন, ৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা বিমা দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন তৃণমূল কংগ্রেস গরীব মানুষকে চাল দিচ্ছে। আসলে এই চাল পাঠাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী।
মমতা প্রশ্ন করছেন, তাদের কেন জেলে ভরা হচ্ছে? আমি বলব, এটা তো সবে শুরু। গরুচোর, কয়লা চোর, চাকরি চোর, পয়সা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন যারা, তারা তৈরি থাকুন।
মোদীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে গিয়েছে, বাংলা পিছনে থেকে গিয়েছে। কারণ দুর্নীতি। নিয়োগ, কয়লা, গরু – সব ক্ষেত্রে দুর্নীতি রয়েছে। অনুব্রত মন্ডল, কুনাল ঘোষ, তাপস পাল – এরা সবাই জেলে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক দুর্নীতি চলছে। ভাইপোর দাপট চলছে। এই দুর্নীতি, ভাইপোর দাপট আটকাতে বিজেপিকে জেতাতে হবে।
মোদীজি ভারতকে সন্ত্রাসমুক্ত করেছেন। আর মমতা দিদি পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেটরাজ, ভাইপোর দাপট, কাটমানি চালু করেছেন। এই সবের পরিবর্তন করতে পারবেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ওদের ভোটব্যাঙ্ক হল অনুপ্রবেশকারীরা। আমাদের ভোটব্যাঙ্ক তারা নয়। বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক তো মতুয়া সমাজ।
রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে দিদি, রাহুল বাবা সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁরা যাননি। ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই যাননি। তাঁরা ভয় পেয়েছেন, তাদের ভোটব্যাঙ্ক বিমুখ হয়ে যাবে।
কংগ্রেস-কমিউনিস্টরা রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখেছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদী আদালতে মামলা জিতেছেন। তারপর প্রাণ প্রতিষ্ঠাও করেছেন।
কংগ্রেস দলিত বিরোধী। ২০১৩-১৪ সালে তারা ৪১ হাজার কোটির বাজেট দিয়েছিল। ১০ সালে মোদীজি সেই বাজেটকে ১ লক্ষ ৬৫ হাজারে পরিণত করেছেন।
সিএএ নিয়ে ভয় পাবেন না। আপনাদের অ্যাপ্লিকেশন আপলোড করুন। কেউ সমস্যা পড়লে শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
মমতা দিদির সময় শেষ। এখানেও মোদীজির নেতৃত্বে বিজেপির সরকার গঠিত হবে।
ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য দিদি অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় নিয়ে আসছেন। আর তিনি মতুয়া সমাজকে নাগরিকত্ব দিতে চান না। তিনি বলছেন, বাংলায় এটা করতে দেবেন না। কিন্তু, এটা কেন্দ্রের বিষয়।
যদি তা করেন, তাহলে আমাদের শান্তনু ঠাকুর সকলের ঘরে ঘরে গিয়ে সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্ব দেবেন। আমি সকলকে আস্বস্ত করছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ নিয়ে মিথ্যা কথা বলছেন। দুনিয়ার কোনও শক্তি আমাদের হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ ভাইদের নাগরিকত্ব পাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না।
৩৮০ আসনে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদীজি ইতিমধ্যেই ২৭০ আসনে জিতে গিয়েছেন। এবার ৪০০ পারের পালা। বাংলা থেকে ৩০ আসনে জেতাতে হবে।
প্রথমেই আমি হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুর এবং বড়মাকে প্রণাম জানাতে চাই।