উত্তরাধিকারে সহজে কিছু পাইনি : সোহিনী সেনগুপ্ত
যদিও বিষয়টা মোটেও সহজ ছিল না। আমার বাবা রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, আমাকে সহজে দায়িত্ব দেননি। বহু বছর কঠর পরিশ্রম ও একনিষ্ঠতা দেখাতে হয়েছে। তবে গিয়ে থিয়েটারের দায়িত্ব পেয়েছি। এখনও পরিশ্রম করে চলেছি। তবে এখন বাবা একটু নির্ভর করেন। সিনেমাতেও যে সহজে সুযোগ এমন নয়, ছোটবেলা থেকে নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় আমায় দেখেছেন, আমাকে মানাবে এমন চরিত্র তাঁরা দিয়ে থাকেন।

নেপোটিজম নিয়ে সরগরম থাকে বলিউড। টলিপাড়ায় সেই ছায়া সেইভাবে প্রকট নয়, তবে শোনা যায়, টলিপাড়ায় ফেবরিজম চলে। তবে ব্যতিক্রম রয়েছে অনেক। সম্প্রতি ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড ‘ ছবির প্রচারে এসে টিভিনাইন বাংলার সঙ্গে কথা বললেন পর্দার ‘ফুলপিসি’ সোহিনী সেনগুপ্ত। সোহিনীর সোজাসাপ্টা উত্তর, তিনি অত্যন্ত সহজে উত্তরাধিকারে কিছু পাননি। তিনি বললেন, ” অনেকের ধারণা আমি উত্তরাধিকারে হয়ত অভিনয়ে এসেছি। যদিও বিষয়টা মোটেও সহজ ছিল না। আমার বাবা রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, আমাকে সহজে দায়িত্ব দেননি। বহু বছর কঠর পরিশ্রম ও একনিষ্ঠতা দেখাতে হয়েছে। তবে গিয়ে থিয়েটারের দায়িত্ব পেয়েছি। এখনও পরিশ্রম করে চলেছি। তবে এখন বাবা একটু নির্ভর করেন। সিনেমাতেও যে সহজে সুযোগ এমন নয়, ছোটবেলা থেকে নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় আমায় দেখেছেন, আমাকে মানাবে এমন চরিত্র তাঁরা দিয়ে থাকেন। এই ছবিতেও ফুলপিসি একটি রহস্যের উন্মোচন চেষ্টা করেন। আমি যদিও শিবপ্রসাদকে বেশ ভয় পাই। ”
সোহিনী আরও বলেন, ” একটা কথা বলতেই হয়, নারী হিসেবে আমরা অনেকটা এগিয়েছি তবে বিস্তর পথ এগোতে হবে। আজও বাড়িতে আমার বাবা ও শ্বশুর মশাই আমার কথা ভাবেন, আমার স্বামী আমায় প্রয়োজনে খাবার তৈরি করে রাখেন। এটাও পাওনা। ওদের সাহায্য ছাড়া এগোতে পারতাম না ।”
প্রসঙ্গত, পরিচালক অপর্ণা সেনের হাত ধরে বড় পর্দায় সুযোগ পান। ছবির নাম ছিল ‘পারমিতার একদিন’। এর পর পরিচালকদ্বয় নন্দিতা-শিবপ্রসাদ এর প্রথম ছবি ‘ইচ্ছে ‘ থেকে শুরু করে ‘অলীক সুখ’, ‘পোস্ত’ ‘বেলাশেষে’ তে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও সাঁঝবাতি, গৃহপ্রবেশ, ‘সন্তান ‘, ‘বাবলি’ বহু ছবিতে অভিনয় করেছন। তিনি নান্দীকার নাট্য গোষ্ঠীর প্রধান অভিনেত্রী।
