
সোম থেকে রবি—ড্রামা, স্ট্র্যাটেজি আর ঝগড়া-ঝাটিতে জমাটি বিনোদন জোগাচ্ছে ‘বিগ বস বাংলা’। তবে এবার আর স্রেফ সদস্যপদের লড়াই নয়, বিগ বসের অন্দরে হঠাৎই গরম হয়ে উঠল রাজনীতির ময়দান! ঘরেই আয়োজন করা হল নির্বাচনের, যেখানে প্রার্থীরা নামলেন জনসভা, মিছিল এবং তোপ-পাল্টা তোপের স্লোগানে।
সম্প্রতি নেটপাড়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, রাজনীতির ময়দানে লড়াইয়ে নেমেছেন দুই জনপ্রিয় প্রতিযোগী—অভিনেতা জীতু কমল এবং গায়ক দুর্নিবার সাহা। নির্বাচনে জীতুর রাজনৈতিক দলের প্রতীক ‘হরিণ’ এবং দুর্নিবারের দলের প্রতীক ‘পাখি’।
প্রচার মিছিলে জীতুর হয়ে জোরকদমে গলা ফাটাতে দেখা যায় মনামী ঘোষ, রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তকে। অন্যদিকে, দুর্নিবারের ‘পাখি’ মার্কা প্রতীকে জয়ী করতে কোমর বেঁধে নেমেছেন ঝিলম ও সোনামণি সাহারা। অন্দরের এই রাজনৈতিক তরজা আর স্লোগান নেটজনতার হাসির খোরাক জোগানোর পাশাপাশি বাড়িয়ে দিয়েছে পর্বের আকর্ষণ।
রাজনীতির উত্তাপের মাঝেই শুরু হয়েছে এই সপ্তাহের বহুল প্রতীক্ষিত নমিনেশন পর্ব। এলিমিনেশনের মুখে এসে দাঁড়িয়েছেন ঘরের মোট পাঁচজন সদস্য—নন্দিনী দত্ত, প্রবীণ অভিনেতা ভরত কল, রাজবীর দে, দুর্নিবার সাহা এবং নিরঞ্জন মণ্ডল।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে তনুশ্রী রায় দাস ঘরের ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হওয়ায় তিনি নমিনেশন প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ছিলেন। তবে নমিনেশন পর্বে সবচেয়ে বড় চমক এনে দেন ঘরের নতুন ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি অনুষ্কা ঘোষ। ‘বিগ বস’ বিশেষ ‘সুপার পাওয়ার’ তুলে দেন অনুষ্কার হাতে, যার মাধ্যমে তিনি যে কোনও একজন নমিনেটেড প্রতিযোগীকে এলিমিনেশন থেকে সরাসরি সুরক্ষিত করার সুযোগ পান।
ঘরের প্রায় সকল সদস্যই নিজেকে বাঁচানোর জন্য অনুষ্কার কাছে দরবার শুরু করেন। তবে খেলা ঘুরিয়ে দেন রাজবীর দে। তিনি নিজের জন্য কোনও সুপারিশ না করে অনুষ্কার কাছে অনুরোধ জানান তাঁর বন্ধু জীতু কমলকে সুরক্ষিত করার জন্য। বিনিময়ে রাজবীর প্রতিশ্রুতি দেন, আগামী ক্যাপ্টেনসি টাস্কে তিনি অনুষ্কার হয়ে সর্বশক্তি দিয়ে লড়বেন। রাজবীরের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে অনুষ্কা তাঁর ‘সুপার পাওয়ার’ ব্যবহার করেন এবং জীতুকে এই সপ্তাহের নমিনেশন থেকে বাঁচিয়ে নেন।