
বিগ বস মানেই চরম উত্তেজনা আর নিত্যনতুন চমক। তবে এবার শুধু ঝগড়া বা টাস্ক নয়, বিগ বস বাংলার অন্দরে রীতিমতো প্রেমের হাওয়া বইছে। আর সেই হাওয়ায় ভাসছেন জিতু কমল ও সৃজলা গুহ। টাস্কের চুলোচুলিকে ছাপিয়ে তাঁদের রসায়ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
টাস্কের আগে দুজনের মধ্যে বেশ ঝগড়া হয়েছিল। অভিমানে ফুঁসছিলেন অভিনেত্রী। জিতু আসার আগেই একা একা বিড়বিড় করে জিতুর প্রসঙ্গেই সৃজলাকে বলতে শোনা যায়, “একজনের জন্য নিজেকে শেষ করতেও রাজি, কেন? মাথা খারাপ!” দর্শকদের ধারণা জীতুকে নিয়েই এই কথা বলেছেন সৃজলা। এরপরই পরিস্থিতি সামলাতে সেখানে হাজির হন জিতু। মানভঞ্জনের চেষ্টায় তিনি সৃজলাকে বলেন, “খেয়ে নাও, জেদ ধরো না।” কিন্তু সৃজলার জেদ তখন চরমে। তিনি সাফ জানান, শুধু বিস্কুট খেয়েই থাকবেন। জিতু বারবার অনুরোধ করলেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন সৃজলা। যদিও পরে ভাব হয়ে য়ায় তাঁদের।
প্রেম নাকি শুধুই গেম?
আসলে এই সমীকরণ কিন্তু একদিনে তৈরি হয়নি। আগের দিনের ঘটনা জল্পনা আরও উসকে দিয়েছে। জুতো রাখা নিয়ে জিতুর সঙ্গে সৃজলার কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তখন নন্দিনী সৃজলাকে সোজা জিতুর ‘স্যাটেলাইট’ বলে খোঁচা দেন। এত বড় কথা শোনার পরও জিতু চুপ থাকায় সৃজলার অভিমান বাঁধ ভাঙে। ডুকরে কেঁদে বিছানায় আশ্রয় নেন তিনি। বিড় বিড় করে সৃজলা বলে বসেন,“অনেক করেছ। দূরে চলে গেলে শান্তি পেয়ে যাবে। চাইনি ভালবেসে ফেলো।” নবনীতা দাসের সঙ্গে ডিভোর্সের পর জিতুর নাম নতুন করে কারও সঙ্গে জড়ায়নি। তাই বিগ বসের ঘরে এই নতুন সমীকরণ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।
তবে প্রেমের পাশাপাশি বিগ বসের ঘরে ধুন্ধুমার মারামারিও দেখল দর্শক। ভ্যাম্পায়ার বনাম মানুষের লড়াইয়ে কুরুক্ষেত্র হয়ে উঠল বিগ বসের বাড়ি। ভ্যাম্পায়ার টাস্কে মানুষদের বাঁচার উপায় ছিল দড়িতে ঝোলানো বাদুড় পুতুল নির্দিষ্ট ড্রামে ফেলা। খেলা শুরুর আগেই বুদ্ধি করে নিরঞ্জন নিজের পকেটে তিনটি পুতুল লুকিয়ে রাখেন। এরপরই মজার খেলা বদলে যায় রণক্ষেত্রে।
নিরঞ্জনের অভিযোগ, পকেট থেকে পুতুল কাড়তে গিয়ে সৃজলা তাঁকে ক্রমাগত লাথি মেরেছেন। পাল্টা সৃজলার দাবি, নিরঞ্জন অকারণে তাঁর হাত ধরে টেনেছেন, এমনকি লাঠি দিয়েও মেরেছেন! পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নন্দিনীও জড়িয়ে পড়েন। তাঁরও দাবি, সৃজলা তাঁকেও লাথি মেরেছেন। সব মিলিয়ে বিগ বসের ঘরে এখন চরম নাটক। একদিকে প্রেমের মিষ্টি হাওয়া, অন্যদিকে চুলোচুলি। দর্শকদের উত্তেজনা যে হু হু করে বাড়ছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।