ফের শুটিং নিয়ে টলিপাড়ায় জটিলতা। আগের বারের মতো এবারও ডিরেক্টরস গিল্ডের সঙ্গে ফেডারেশনের কাজিয়ায় বন্ধ হল শুটিং। জয়দীপ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের পর এবার ফেডারেশনের কোপে পরিচালক শ্রীজিৎ রায়। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন ধারাবাহিকের শুটিং শুরু করার কথা ছিল তাঁর। ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে সেট তৈরি হওয়ার পরও থমকে গেল শুটিং।
বার বার এই পরিস্থিতির সম্মুখীন কেন টলিপাড়া? শ্রীজিতের শুটিং বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে, টিভি নাইন বাংলাকে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী জানালেন, ” কাজ কেন বন্ধ করা হল, সেটাই বোঝার চেষ্টা করছি। শ্রীজিৎ প্রায় ২০-২৫ বছর ধরে কাজ করছে এই ইন্ডাস্ট্রিতে। টেলিভিশনের অন্যতম সেরা পরিচালক শ্রীজিৎ। ওর কাজ খুবই প্রশংসিত টলিউডে। পরিচালক, প্রযোজক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে টিভিতে ৩ টে শো করে। ওর মতো মানুষ আছে বলেই, এই ইন্ডাস্ট্রির অনেক বেশি উন্নতি হচ্ছে। এখন শ্রীজিতের কাজটা বন্ধ করে দেওয়া হল। ওর লাইভটা দেখেছি। আমিও একজন পরিচালক। আরেক পরিচালকের সমস্যা হলে, ওর পাশে দাঁড়াবই। এবং সেটাই ওর পাশে দাঁড়ানোর অন্যতম কারণ।”
রাজও আরও জানান, ” শ্রীজিৎও মফঃস্বলের ছেলে। আমি একটা মফঃস্বল ছেলে। কষ্ট করে নিজেদের জায়গাটা বানিয়েছি। আমাদের কোনও গডফাদার ছিল না। গডফাদার নেই। আমার মনে হয়, এরকম ট্যালেন্টেড ছেলেদেরকে এনকারেজ করা উচিত। একটা বড় জায়গায় কাজ করতে গেলে ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। সেটাই আলোচ্য বিষয়। আমার সবচেয়ে খারাপ লাগছে যে, শ্রীজিৎ একটা সেট বানাচ্ছিল। হঠাৎ করেই সেটা বন্ধ করে দেওয়া হল, শ্রীজিৎ জানেই না, এটা কেন হল।
রাজও আরও বলেন, ” আগেও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, অসুবিধা হলে আলোচনা করা উচিত। কাউকে নিষিদ্ধ, ব্ল্যাক লিস্টেড করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের ইন্ডাস্ট্রির যে তিনজনের হাতে দায়িত্ব দিয়েছেন, এই ধরনের পরিস্থিতিকে সামলানোর, তাঁদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা এসে পরিস্থিতিটা দেখুক। না হলে এর আগে জয়দীপ, তারপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, আর এখন শ্রীজিৎ। এর পর আর কারও সঙ্গে এমনটা যে না ঘটে। আমরা তো একটা পরিবারের মতো। আমরা কেউ আলাদা নই।”
ফের শুটিং নিয়ে টলিপাড়ায় জটিলতা। আগের বারের মতো এবারও ডিরেক্টরস গিল্ডের সঙ্গে ফেডারেশনের কাজিয়ায় বন্ধ হল শুটিং। জয়দীপ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের পর এবার ফেডারেশনের কোপে পরিচালক শ্রীজিৎ রায়। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন ধারাবাহিকের শুটিং শুরু করার কথা ছিল তাঁর। ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে সেট তৈরি হওয়ার পরও থমকে গেল শুটিং।
বার বার এই পরিস্থিতির সম্মুখীন কেন টলিপাড়া? শ্রীজিতের শুটিং বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে, টিভি নাইন বাংলাকে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী জানালেন, ” কাজ কেন বন্ধ করা হল, সেটাই বোঝার চেষ্টা করছি। শ্রীজিৎ প্রায় ২০-২৫ বছর ধরে কাজ করছে এই ইন্ডাস্ট্রিতে। টেলিভিশনের অন্যতম সেরা পরিচালক শ্রীজিৎ। ওর কাজ খুবই প্রশংসিত টলিউডে। পরিচালক, প্রযোজক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে টিভিতে ৩ টে শো করে। ওর মতো মানুষ আছে বলেই, এই ইন্ডাস্ট্রির অনেক বেশি উন্নতি হচ্ছে। এখন শ্রীজিতের কাজটা বন্ধ করে দেওয়া হল। ওর লাইভটা দেখেছি। আমিও একজন পরিচালক। আরেক পরিচালকের সমস্যা হলে, ওর পাশে দাঁড়াবই। এবং সেটাই ওর পাশে দাঁড়ানোর অন্যতম কারণ।”
রাজও আরও জানান, ” শ্রীজিৎও মফঃস্বলের ছেলে। আমি একটা মফঃস্বল ছেলে। কষ্ট করে নিজেদের জায়গাটা বানিয়েছি। আমাদের কোনও গডফাদার ছিল না। গডফাদার নেই। আমার মনে হয়, এরকম ট্যালেন্টেড ছেলেদেরকে এনকারেজ করা উচিত। একটা বড় জায়গায় কাজ করতে গেলে ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। সেটাই আলোচ্য বিষয়। আমার সবচেয়ে খারাপ লাগছে যে, শ্রীজিৎ একটা সেট বানাচ্ছিল। হঠাৎ করেই সেটা বন্ধ করে দেওয়া হল, শ্রীজিৎ জানেই না, এটা কেন হল।
রাজও আরও বলেন, ” আগেও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, অসুবিধা হলে আলোচনা করা উচিত। কাউকে নিষিদ্ধ, ব্ল্যাক লিস্টেড করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের ইন্ডাস্ট্রির যে তিনজনের হাতে দায়িত্ব দিয়েছেন, এই ধরনের পরিস্থিতিকে সামলানোর, তাঁদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা এসে পরিস্থিতিটা দেখুক। না হলে এর আগে জয়দীপ, তারপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, আর এখন শ্রীজিৎ। এর পর আর কারও সঙ্গে এমনটা যে না ঘটে। আমরা তো একটা পরিবারের মতো। আমরা কেউ আলাদা নই।”