শুটিং নিয়ে ফের ডামাডোল টলিপাড়ায়। এবার বিপাকে পড়লেন টেলি ধারাবাহিকের পরিচালক শ্রীজিৎ রায়। বন্ধ হল শুটিং। এবারও সমস্যা ডিরেক্টরস গিল্ড ও ফেডারেশনের মধ্যে। নতুন কাজের শুটিং শুরু করার আগেই বিপত্তি। পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি ফেডারেশনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। আর সেই কারণেই আর্ট সেটিং গিল্ডের টেকনিশিয়ানেরা নাকি পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে রাজি নয়। ফেসবুক লাইভে এসেও গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছেন পরিচালক শ্রীজিৎ।
তা ঠিক কী ঘটেছে ধারাবাহিকের পরিচালক শ্রীজিৎ রায়ের সঙ্গে। টিভি নাইন বাংলাকে পরিচালক জানিয়েছেন, ” আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে আমি নাকি ফেডারেশন বিরোধী কথাবার্তা বলেছি, মাদার বডি বিরুদ্ধে কথা বলেছি। সেই কারণেই ওরা কাজ বন্ধ করেছে।”
পরিচালক আরও বলেন, ”আমি জানতে চাই যে আমাকে প্রমাণ দাও। গতকাল রাত পর্যন্ত আমাকে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। প্রযোজক হিসেবে আমি ফেডারেশনকে মেলও করেছি যে কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মেলটা কর্মবিরতির বিরুদ্ধেই করা হয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁরাও আমার মেলের উত্তর দেয়নি। আমি জানিয়ে ছিলাম, এর যথাযথ বিচার করুন ও আমার সঙ্গে কাজটা করুন। ২৪ ঘণ্টা হতে চলল, সেই মেলেরও আমি উত্তর পায়নি কোনও। সেট বানাতে ২০ লক্ষ টাকার উপর ইনভেস্ট হয়ে গিয়েছে। আমাকে দেখা বুঝতেই পারছেন যে, আমি বিশালমাপের মানুষ নই। ২০ লক্ষ টাকা চলে গেলে আমাকে পথে বসতে হবে। আমার পেটে টান পড়বে। সংসারে অসুবিধা হবে। ”
শুটিং নিয়ে ফের ডামাডোল টলিপাড়ায়। এবার বিপাকে পড়লেন টেলি ধারাবাহিকের পরিচালক শ্রীজিৎ রায়। বন্ধ হল শুটিং। এবারও সমস্যা ডিরেক্টরস গিল্ড ও ফেডারেশনের মধ্যে। নতুন কাজের শুটিং শুরু করার আগেই বিপত্তি। পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি ফেডারেশনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। আর সেই কারণেই আর্ট সেটিং গিল্ডের টেকনিশিয়ানেরা নাকি পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে রাজি নয়। ফেসবুক লাইভে এসেও গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছেন পরিচালক শ্রীজিৎ।
তা ঠিক কী ঘটেছে ধারাবাহিকের পরিচালক শ্রীজিৎ রায়ের সঙ্গে। টিভি নাইন বাংলাকে পরিচালক জানিয়েছেন, ” আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে আমি নাকি ফেডারেশন বিরোধী কথাবার্তা বলেছি, মাদার বডি বিরুদ্ধে কথা বলেছি। সেই কারণেই ওরা কাজ বন্ধ করেছে।”
পরিচালক আরও বলেন, ”আমি জানতে চাই যে আমাকে প্রমাণ দাও। গতকাল রাত পর্যন্ত আমাকে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। প্রযোজক হিসেবে আমি ফেডারেশনকে মেলও করেছি যে কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মেলটা কর্মবিরতির বিরুদ্ধেই করা হয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁরাও আমার মেলের উত্তর দেয়নি। আমি জানিয়ে ছিলাম, এর যথাযথ বিচার করুন ও আমার সঙ্গে কাজটা করুন। ২৪ ঘণ্টা হতে চলল, সেই মেলেরও আমি উত্তর পায়নি কোনও। সেট বানাতে ২০ লক্ষ টাকার উপর ইনভেস্ট হয়ে গিয়েছে। আমাকে দেখা বুঝতেই পারছেন যে, আমি বিশালমাপের মানুষ নই। ২০ লক্ষ টাকা চলে গেলে আমাকে পথে বসতে হবে। আমার পেটে টান পড়বে। সংসারে অসুবিধা হবে। ”