৯ বছরের টানা লিভ ইন সম্পর্ক! তবুও কেন ভাঙল জন-বিপাশার ‘সুপারহট’ সম্পর্ক?

২০০৩ সালে 'জিসম' ছবির সেট থেকে শুরু হওয়া সেই প্রেম দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ছিল পেজ-থ্রি-র হট টপিক। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন সেই রূপকথার গল্পে ইতি পড়ে। কেন ভেঙেছিল তাঁদের সম্পর্ক? প্রতারণা নাকি অন্য কিছু? বছর পেরিয়ে গেলেও সেই গসিপ আজও সমান টাটকা।

৯ বছরের টানা লিভ ইন সম্পর্ক! তবুও কেন ভাঙল জন-বিপাশার সুপারহট সম্পর্ক?

|

Mar 05, 2026 | 7:25 PM

বলিউডের ‘হটেস্ট কাপল’ বললেই এক সময় সবার আগে মাথায় আসত দু’টি নাম— জন আব্রাহাম এবং বিপাশা বসু। ২০০৩ সালে ‘জিসম’ ছবির সেট থেকে শুরু হওয়া সেই প্রেম দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ছিল পেজ-থ্রি-র হট টপিক। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন সেই রূপকথার গল্পে ইতি পড়ে। কেন ভেঙেছিল তাঁদের সম্পর্ক? প্রতারণা নাকি অন্য কিছু? বছর পেরিয়ে গেলেও সেই গসিপ আজও সমান টাটকা।

২০০২ থেকে ২০১১— দীর্ঘ ৯ বছর তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। বলিপাড়ার প্রায় সবাই নিশ্চিত ছিলেন যে জন-বিপাশার চার হাত এক হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু ২০১১ সালে হঠাৎই আলাদা হয়ে যান তাঁরা। শোনা যায়, বিপাশা যখন বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলেন, জন তখন বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিলেন। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।

সেই সময় বি-টাউনের অন্দরে কান পাতলে শোনা যেত এক বিস্ফোরক তথ্য। গুঞ্জন রটেছিল, বিপাশার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীনই জন বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চলের প্রেমে পড়েন। বিপাশা নিজেই এক সাক্ষাৎকারে নাম না করে আক্ষেপ করেছিলেন যে, তাঁকে অন্ধকারের মধ্যে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন:

“আমি কোনোদিন ভাবিনি যে ৯ বছরের একটা সম্পর্ক এভাবে শেষ হবে। বিশ্বাসভঙ্গ হওয়াটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন ছিল।”

বিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি এতটাই তিক্ত হয়ে উঠেছিল যে, কোনো অ্যাওয়ার্ড ফাংশন বা পার্টিতে জন-বিপাশা একে অপরকে এড়িয়ে চলতেন। এমনকি জন একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রিয়া রুঞ্চলের সঙ্গে তাঁর বিয়ের কথা ঘোষণা করলে বিপাশা কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। অনেকে বলেন, জনের সেই গোপন বিয়েই ছিল তাঁদের সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক।

সময় অনেক বদলেছে। বিপাশা বসু এখন অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে সুখী দাম্পত্যে আছেন, তাঁদের কোল আলো করে এসেছে কন্যা দেবী। অন্যদিকে, জন আব্রাহামও স্ত্রী প্রিয়াকে নিয়ে নিজের জগত গুছিয়ে নিয়েছেন। তবে আজও বলিউডের কোনো পার্টিতে জনের নাম উঠলে বিপাশার নীরবতা কিংবা জন-এর এড়িয়ে যাওয়া স্পষ্ট করে দেয় যে— সেই ক্ষতর দাগ আজও মোছেনি।