‘বিপেজিকে ভোট দিইনি!’ বাড়ি ফিরে বলেই দিলেন পরমব্রতর স্ত্রী পিয়া?
Piya-Parambrata Vote: জানা গিয়েছে পিয়া নাকি ভোট দেননি বিজেপিকে। এই কথা পিয়ার সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পষ্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাঁকে ট্যাগ করে এমন একটি বক্তব্য রেখেছেন পিয়ারই এক পরিচিত। সেই পোস্টের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, "বিজেপিকে ভোট দিইনি।"

এই তুই কাকে ভোট দিলি রে? লোকে এমন প্রশ্ন করেন বটে, কিন্তু কেউ জানাতে চান না কোন দলের সমর্থক তিনি। এটা একটা সিক্রেট। অনেক সময় আবার ওপেন সিক্রেটও। আগে হলে চায়ের দোকানে তর্কাতর্কি থেকেই অনুমান করা যেত, কে কার সাপোর্টার। পরবর্তীতে সেই চায়ের দোকানের আড্ডাটাই যখন সোশ্যাল মিডিয়ার মোড়কে পরিণত হল, বিবিধ পোস্ট এবং শেয়ারিং থেকে বোঝা যেত আসলে কে কার দলে। অনেকটা সেই রকমই বিষয় ঘটেছে গায়ক-সমাজসেবী এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তীর ক্ষেত্রে।
জানা গিয়েছে পিয়া নাকি ভোট দেননি বিজেপিকে। এই কথা পিয়ার সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পষ্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাঁকে ট্যাগ করে এমন একটি বক্তব্য রেখেছেন পিয়ারই এক পরিচিত। সেই পোস্টের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “বিজেপিকে ভোট দিইনি।”
পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে পিয়ার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এক সমাজ সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরেই। দেউচা পচামি কমিটিতে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ছিলেন চেয়ারম্যান। সেই কমিটির একজন অন্যতম সদস্য পিয়া চক্রবর্তী পরমব্রত সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছিলেন। পরমব্রত হলেন পিয়ার প্রাক্তন স্বামী এবং সঙ্গীত পরিচালক অনুপম রায়ের খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বন্ধুর স্ত্রী হিসেবে পিয়াকে চিরকালই সম্মান করতেন পরমব্রত। তাঁদের মধ্যে শুরু থেকেই সুন্দর বন্ধুত্ব ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে দেউচা পচামিতে কাজ করতে গিয়েই পিয়াকে মানুষ হিসেবে আরও বেশি করে চিনতে পেরেছিলেন পরমব্রত। তাঁর ভিতরের মনটাকে চিনেছিলেন তখনই। তারপর থেকেই পরমব্রতর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় পিয়ার। অনুপমের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর পিয়া বিয়ে করেছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কেই। ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর আইনিভাবে বিয়ে করেন তাঁরা। ৬ মাস হয়ে গিয়েছে সুখে সংসার করছেন পিয়া-পরমব্রত।
