Annapurna Yojana Money: একেবারে দ্বিগুণ! এবারের পুজোয় অন্নপূর্ণার টাকা নিয়ে বড় উদ্যোগ
Annapurna Yojana Money: ২০২৫ এ ক্লাবে পুজোর বাজেট ছিল আড়াই থেকে তিন লক্ষ ২০২৬-এ তা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ । দীর্ঘদিন ধরে মহিলাদের উদ্যোগ ও পরিচালনায় চলে আসা অদ্রিজা ক্লাবের দুর্গাপুজো স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছেও যথেষ্ট আকর্ষণের। সরকারি আর্থিক সহায়তার সুফল পুজোর প্রস্তুতিতেও কাজে লাগাতে পেরে খুশি ক্লাবের সদস্যরা।

পূর্ব মেদিনীপুর: অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় দ্বিগুণ পুজোর বাজেট! মহিষাদলের অদ্রিজা ক্লাবে উৎসবের প্রস্তুতি। পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের প্রাচীন মহিলা পরিচালিত ক্লাবগুলির মধ্যে অন্যতম অদ্রিজা ক্লাব। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে এবারও ধুমধাম করে দুর্গাপুজোর আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ক্লাব প্রাঙ্গণে। তবে এবারের পুজোয় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে ক্লাবের সদস্যদের আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং পুজোর বাজেট বৃদ্ধি। ক্লাবের সিংহভাগ সদস্য প্রান্তিক মহিলা।
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ক্লাবের বেশিরভাগ সদস্য ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। সেই আর্থিক সহায়তার ফলে সদস্যদের হাতে বাড়তি অর্থ এসেছে। সদস্যদের একাংশের বক্তব্য, দু’মাসের অন্নপূর্ণা যোজনার থেকে পাওয়া ৬০০০ টাকা তাঁরা পুজোর আয়োজনে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবছর দুর্গাপুজোর বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। পুজোর আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রতিমা, মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
২০২৫ এ ক্লাবে পুজোর বাজেট ছিল আড়াই থেকে তিন লক্ষ ২০২৬-এ তা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ । দীর্ঘদিন ধরে মহিলাদের উদ্যোগ ও পরিচালনায় চলে আসা অদ্রিজা ক্লাবের দুর্গাপুজো স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছেও যথেষ্ট আকর্ষণের। সরকারি আর্থিক সহায়তার সুফল পুজোর প্রস্তুতিতেও কাজে লাগাতে পেরে খুশি ক্লাবের সদস্যরা। সম্প্রতি ক্লাবের মন্ডপের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হল। উপস্থিত হয়েছিলেন বেশিরভাগ মহিলা সদস্যরা। কটি পুজোর দিন থেকেই পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে চাঁদা আদায় করার কাজও শুরু করলেন ক্লাবের মহিলা সদস্যরা। গ্রামবাসীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে চাঁদা দিয়ে সহযোগিতা করছেন এই পুজোতে।
ক্লাবের সভাপতি নুপুর সামন্ত বলেন,” আমাদের ক্লাবের বেশিরভাগ সদস্য প্রান্তিক মহিলা। সরকারি প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা মহিলা পরিচালিত পুজোকে কিছুটা স্বনির্ভর হতে সাহায্য করেছে। সেই অর্থের একটি অংশ দিয়ে এবছর পুজোর আয়োজন আরও বড় করে করার সুযোগ পেয়েছি। এজন্য আমরা নতুন সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।” সব মিলিয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আর্থিক সহায়তাকে ঘিরে উৎসাহিত অদ্রিজা ক্লাবের সদস্যরা। তাঁদের আশা, এবছরের দুর্গাপুজো মহিষাদলের পুজোর তালিকায় আরও বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
অদ্রিজা ক্লাবে সম্পাদক রেখা দাস বলেন,” অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে টাকা পেয়ে আমরা এবারে খুব ভালো ভাবে পুজো করতে পারবো। গত বছর পুজোর বাজেট ছিল আড়াই থেকে তিন লাখ এ বছরে পূজোর বাজেট ৫ লক্ষ টাকা। নতুন সরকারকে ধন্যবাদ।
