সলমনের ছবির ‘দিল কহে রাহা হ্যায়’ গান রেকর্ডে কী ঘটেছিল জানেন?

গানের সুরকার হিমেশ রেশমিয়া তখন অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। স্টুডিওতে রেকর্ডিং সামলাচ্ছিলেন হিমেশের বাবা। কুণাল জানান, হিমেশ তাঁকে ফোন করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে গানটি কেমন হওয়া চাই। হিমেশ বলেছিলেন, "আমাদের ‘হামদম সুনিয়ো রে’ গানের মতো একটা রোমান্টিক আর ইয়ুথফুল ভাইব চাই, কারণ এই গান সলমন ভাইয়ের জন্য।"

সলমনের ছবির দিল কহে রাহা হ্যায় গান রেকর্ডে কী ঘটেছিল জানেন?
কালজয়ী গানটির রেকর্ডের গল্প শুনিয়েছেন কুণাল।Image Credit source: youtube

Apr 13, 2026 | 6:38 PM

বলিউডের সুপারহিট ছবি ‘কিউ কি’-র সেই মন ছুঁয়ে যাওয়া গান ‘দিল কহে রাহা হ্যায়’ শোনেননি এমন শ্রোতা মেলা ভার। সলমন খান আর করিনা কাপুর খান পর্দার সেই রসায়ন আজও দর্শক ভোলেননি। কিন্তু জানেন কি কুণাল গাঞ্জাওয়ালা এই কালজয়ী গানটি রেকর্ড করেছিলেন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই কালজয়ী গানটির রেকর্ডের গল্প শুনিয়েছেন কুণাল।

সাধারণত গায়করা স্টুডিওতে গিয়ে হার্ডকপিতে গানের লিরিক্স বা কথা পান। কিন্তু এই গানের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। কুণালের মোবাইলে এসএমএস (SMS) করে পাঠানো হয়েছিল গানের লাইনগুলো। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এটা স্বাভাবিক মনে হলেও, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিষয়টা ছিল বেশ চমকপ্রদ।

গানের সুরকার হিমেশ রেশমিয়া তখন অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। স্টুডিওতে রেকর্ডিং সামলাচ্ছিলেন হিমেশের বাবা। কুণাল জানান, হিমেশ তাঁকে ফোন করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে গানটি কেমন হওয়া চাই। হিমেশ বলেছিলেন, “আমাদের ‘হামদম সুনিয়ো রে’ গানের মতো একটা রোমান্টিক আর ইয়ুথফুল ভাইব চাই, কারণ এই গান সলমন ভাইয়ের জন্য।”

হিমেশ স্টুডিওতে আসার পর প্রথমে রেকর্ড করা অংশটি তাঁর মনের মতো হয়নি। তিনি বুঝতে পারেন তাঁর বাবা যেভাবে কাজটা করাচ্ছিলেন, সেখানে কোথাও একটা খামতি থেকে গিয়েছে। এরপর হিমেশ নিজে দায়িত্ব নেন। কুণাল গাঞ্জাওয়ালাও আর দেরি করেননি। হিমেশের নির্দেশমতো মাত্র ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই গোটা গানটির রেকর্ডিং শেষ করে ফেলেন তিনি।

২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘কিউ কি’ ছবিটি ছিল ওঁরই এক মালয়ালম ছবির রিমেক। মানসিক হাসপাতালের রোগী আনন্দ (সলমন খান) এবং চিকিৎসক তনভির (করিনা কাপুর) সেই ট্র্যাজিক প্রেমের গল্প আজও মানুষের মনে গেঁথে আছে। জ্যাকি শ্রফ, সুনীল শেট্টি ও ওম পুরির মতো তারকাদের ভিড়েও এই ছবির গানগুলো ছিল অন্যতম প্রাণভোমরা। আর সেই গানের নেপথ্যে যে এমন এক রুদ্ধশ্বাস গল্প ছিল, তা কুণালের এই স্মৃতিচারণায় আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল।

Follow Us