Nora Fatehi: অনাথ মেয়েদের জন্য বিশেষ দায়িত্ব নিলেন নোরা ফতেহি, তবুও কেন ক্ষমা চাইলেন?
Nora Fatehi issues a public apology before the National Commission: বৃহস্পতিবার দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনের (NCW) সামনে হাজিরা দেন নোরা ফতেহি। সেখানে গানটি নিয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। সমাজমাধ্যমে আগে থেকেই ট্রোলিং ও সমালোচনার মুখে পড়ে ভেঙে পড়েছিলেন নোরা। এদিন কমিশনের সামনে তিনি বলেন, “কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিল্পী হিসেবে কাজের দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

‘কেডি: দ্য ডেভিল’ ছবির একটি গানকে কেন্দ্র করে দানা বাঁধা দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটাতে এবার বড় পদক্ষেপ নিলেন বলিউড সেনসেশন নোরা ফতেহি। ‘সরকে চুনর তেরী সরকে’ গানে তাঁর পারফরম্যান্স এবং গানের কথা নিয়ে দেশজুড়ে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, সেই প্রেক্ষিতে অবশেষে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন অভিনেত্রী। শুধু ক্ষমাপ্রার্থনা নয়, প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে অনাথ শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারও করলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনের (NCW) সামনে হাজিরা দেন নোরা ফতেহি। সেখানে গানটি নিয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। সমাজমাধ্যমে আগে থেকেই ট্রোলিং ও সমালোচনার মুখে পড়ে ভেঙে পড়েছিলেন নোরা। এদিন কমিশনের সামনে তিনি বলেন, “কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিল্পী হিসেবে কাজের দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। আমি সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী। এমন এক পরিস্থিতির শিকার হয়েছি যা আমাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।”
ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি সমাজ সংস্কারের লক্ষ্যে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগের কথা জানান নোরা। তিনি ঘোষণা করেন, এখন থেকে তিনি অনাথ মেয়েদের পড়াশোনার সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেবেন। তাঁর কথায়, “সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া এখন আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়াই এখন আমার লক্ষ্য।”
বিতর্কের নেপথ্যে কী ছিল?
‘সরকে চুনর তেরী সরকে’ গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, গানের কথা অত্যন্ত কুরুচিকর ও অশালীন। নোরার নাচের মুদ্রা ও দৃশ্যায়ণ ছিল আপত্তিকর। বিভিন্ন মহল থেকে গানটি নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে, যার ফলে শেষ পর্যন্ত এটি ডিজিটাল মাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এই গানে নোরার সঙ্গে কোমর দুলিয়েছিলেন বলিউড মেগাস্টার সঞ্জয় দত্তও। তাঁকেও সমন পাঠিয়েছিল মহিলা কমিশন। গত ২৭ এপ্রিল কমিশনে হাজিরা দিয়ে সঞ্জয় জানান যে, তিনি এই বিতর্কের বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না। অভিনেতার আইনজীবী হেমন্ত শাহের বয়ান অনুযায়ী, গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল যা সঞ্জয় বোঝেন না। তাই গানের কথা যে আপত্তিকর হতে পারে, সেই সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না।
