Parambrata Chatterjee: ‘রগড়ানি দিবস’ টুইট কেন করেছিলেন পরমব্রত? সবটা বলেই ফেললেন অভিনেতা

Parambrata Chatterjee on Tweet Controversy: 'রগড়ানি' দিবস টুইইটি কেন করেছিলেন পরমব্রত? সবটা বলেই ফেললেন অভিনেতা সোশাল মিডিয়ায় সেই টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে যেমন তিনি ট্রোল তো হয়েই ছিলেন, বৃহস্পতি সেই টুইটকে কেন্দ্র করেই আইনি অভিযোগ আনা হয় পরমব্রতর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার আইনজীবী জয়দীপ সেন, এই টুইটের উপর ভিত্তি করেই গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Parambrata Chatterjee: রগড়ানি দিবস টুইট কেন করেছিলেন পরমব্রত? সবটা বলেই ফেললেন অভিনেতা

| Edited By: আকাশ মিশ্র

May 22, 2026 | 1:49 PM

পাঁচবছর আগে একটি টুইট করে রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন টলিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। সোশাল মিডিয়ায় সেই টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে যেমন তিনি ট্রোল তো হয়েই ছিলেন, বৃহস্পতি সেই টুইটকে কেন্দ্র করেই আইনি অভিযোগ আনা হয় পরমব্রতর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার আইনজীবী জয়দীপ সেন, এই টুইটের উপর ভিত্তি করেই গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

২০২১ -এর ২ মে পরমব্রত চট্টোপাধ্য়ায় একটি টুইট করেছিলেন ‘আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস ঘোষিত হোক।’ স্বস্তিকা তার নীচে মন্তব্য করেন ‘হা হা হা হোক হোক’। সেই সময় লক্ষ্যণীয় রাজ্যে ক্ষমতায় আসেন তৃণমূল কংগ্রেস পরমব্রতর এই মন্তব্য হিংসায় উসকানি দিয়েছে এমন দাবিতে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। পরমব্রত অতীতে দাবি করে ছিলেন দিলীপ ঘোষের একটি মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষীতে এমন টুইট। দিলীপ ঘোষের মন্তব্য ছিল, শিল্পীরা নাচ, গান করুন, রাজনীতিতে এসে বাড়াবাড়ি করলে রগড়ে দেব। পাঁচ বছর পরে এই মুহূর্তে রাজ্যে বিজেপি সরকার।

এমন টুইট কেন করেছিলেন পরমব্রত?

গত ১০ মে টিভি নাইন বাংলাকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন পরমব্রত। সেখানে টুইট নিয়ে প্রশ্ন করায়, পুরো বিষয়টাই স্পষ্ট করেছিলেন টলিউড অভিনেতা। পরমব্রত জানান, ”দিলীপ ঘোষের কথায় আমি এতটাই অপমানিত হয়েছিলাম যে, আমি কল্পনাই করতে পারিনি একজন রাজনীতিবিদ এমন কথা বলতে পারেন। যাঁদের আজকে এই শব্দ প্রয়োগ নিয়ে অসুবিধা হচ্ছে, আমি তাঁদেরকে বলব, দলমত নির্বিশেষে, তাঁরা তখন গিয়ে কেন দিলীপ বাবুকে বলেননি, যে এই ভাষাটা আপনি প্রয়োগ করলেন কেন? তখন সব দল থেকেই ওই বক্তব্যের সমালোচনা হয়েছিল, এমনকী, ওঁর সতীর্থরাও কিছু কিছু লোক বলেছিল যে এই ভাষাটা প্রয়োগ করা উচিত হয়নি, আজকে যাঁরা এটা নিয়ে আওয়াজ করছেন, তাঁরা দিলীপ বাবুর কথাটা জানেনই না, দিলীপ বাবুই প্রথমে এই শব্দটা প্রয়োগ করেছিলেন। তাঁরা ২০২১ সালে করা আমার এই মন্তব্যটা, আমাদেরই বন্ধুবান্ধব একজন মানুষ ওটাকে কোট করে একটা জিনিস লিখেছেন এবং সেটাকে তুলে নিয়ে হিংসায় উসকানির নাম দিচ্ছে।”

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার–

পরম আরও বলেন, ”আমি টুইটটা করেছিলাম, সম্পুর্ণভাবে যে মানুষটা দম্ভ থেকে এই ভাষাটা ব্যবহার করেছিলেন, তিনি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন মানুষের রায়ে, সেই আনন্দে আমি ওটা লিখেছিলাম এবং সেটা লিখেছিলাম, যেদিন ভোটের রেজাল্টটা বেরিয়ে ছিল। এটাই ভাবনা ছিল। সেটাকে আজকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। কিন্তু আজকে সেটা নিয়ে যদি ভাবতে বসি, তাহলে সমাজ মাধ্যমে যেকোনও ব্যাখ্যা নিয়ে ভাবতে বসতে হয়। সোশাল মিডিয়া এটাই করে। যাঁরা সমাজমাধ্যমে থাকে, তাঁরা এটাই করে। আজকে এটা নিয়েই চর্চা হচ্ছে। আমি তো নতুন সরকারকে বলব, যে পশ্চিমবঙ্গ দরকার, কর্মসংস্থান। তাহলে সোশাল মিডিয়ায় সারাদিন থাকার, মতামত দেওয়ার, অযাচিত মতামত দেওয়ার, সঠিক তথ্য না নিয়ে মতামত দেওয়াটা কমবে।”

Follow Us