Parineeti-Sushant: পরিণীতির এই খবর পেতেই সটান চেয়ারে উঠে পড়েন সুশান্ত! কী ঘটে?

Bollywood News: পুলের ধারে বসে করণ জোহরের মেসেজ পান পরিণীতি চোপড়া। আর তা শোনা মাত্রই অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়ে বসেন সুশান্ত সিং রাজপুত! অভিনেতার কীর্তি দেখে কেঁদেই ফেলেছিলেন অভিনেত্রী। কী ঘটেছিল সেদিন? স্মৃতি হাতরালেন অভিনেত্রী।

Parineeti-Sushant: পরিণীতির এই খবর পেতেই সটান চেয়ারে উঠে পড়েন সুশান্ত! কী ঘটে?
কী বলেছেন অভিনেত্রী?

Sep 30, 2026 | 2:45 PM

২০২০ সালের জুন মাসে সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) আকস্মিক মৃত্যু চমকে দিয়েছিল গোটা দেশকে। কিন্তু আজও সহ-অভিনেতাদের মনে তাঁর স্মৃতি একেবারে টাটকা। ২০১৩ সালে ‘শুদ্ধ দেশি রোমান্স’ ছবির সেটে পরিণীতি চোপড়ার (Parineeti Chopra) সঙ্গে তাঁর দারুণ বন্ধুত্ব তৈরি হয়। অফ ক্যামেরায় তাঁরা খুব ভালো সময় কাটাতেন। সম্প্রতি সেই বন্ধুত্বেরই এক অজানা গল্প শোনালেন অভিনেত্রী। যেখানে উঠে এল সুশান্তের এক অন্য রূপ। জানা গেল, বন্ধুর সাফল্যে তিনি কতটা খুশি হতেন।

কোন ঘটনার কথা ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী?

ঘটনাটি শ্যুটিংয়ের ফাঁকের। পরিণীতি জানান, তিনি, সুশান্ত এবং বর্ষীয়ান অভিনেতা ঋষি কাপুর হোটেলের পুলের ধারে বসে রিল্যাক্স করছিলেন। ঠিক সেই সময় পরিচালক করণ জোহরের একটি টেক্সট মেসেজ আসে পরিণীতির ফোনে। সেখানে শুধু লেখা ছিল ‘অভিনন্দন’। হঠাৎ কেন এই শুভেচ্ছা বার্তা? অভিনেত্রী কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। তখনই ব্যাপারটা আসলে কী, তা জানতে রীতিমতো মরিয়া হয়ে ওঠেন সুশান্ত।

একটু খোঁজ নিতেই আসল সত্যিটা জানতে পারেন সুশান্ত। ঘোষণা করা হয়েছে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। আর পরিণীতি সেই বড় পুরস্কার জিতেছেন। এই খবর শোনা মাত্রই নিজের উত্তেজনা ধরে রাখতে পারেননি অভিনেতা। আনন্দে সোজা লাফিয়ে ওঠেন। পুলের ধারের চেয়ারে উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “আমি একজন ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীর সঙ্গে কাজ করছি!” বন্ধুর এমন উচ্ছ্বাস দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে যান অভিনেত্রী। আনন্দে কেঁদেই ফেলেন। সুশান্ত তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। পাশ থেকে ঋষি কাপুর তখন মজা করে বলেন, “তোদের দুজনের মাথা কাজ করছে না।” পরের দিন সেটে এসেও ইউনিটের সবার কাছে বুক ফুলিয়ে খবরটি জানিয়েছিলেন সুশান্ত।

 

শুধু কি হাসি-ঠাট্টা? পরিণীতি জানান, তাঁদের দু’জনের আড্ডার ধরন অন্য সবার চেয়ে একটু আলাদা ছিল। পরিণীতি নিজে ব্যাঙ্কিংয়ের ছাত্রী। অন্যদিকে সুশান্তও পড়াশোনায় ভীষণ মেধাবী ছিলেন। তাই তাঁদের আড্ডায় কোনও সাধারণ গসিপ থাকত না। বরং অর্থনীতি, বিজ্ঞান, মহাকাশ বা তারাদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা হত। পরিণীতির কথায়, “ও আমাকে খুব ভালো বুঝত, আর আমিও ওকে ভালো বুঝতাম।”

সুশান্ত সিং রাজপুত আজ নেই। তবে এই ছোট ছোট ঘটনাগুলোই প্রমাণ করে, মানুষ হিসেবে তিনি কতটা সহজ আর বড় মনের ছিলেন। আজও পরিণীতির কাছে তিনি এক অত্যন্ত কাছের ‘বন্ধু’।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us