‘আমি কাঁদিনি, আর ভিখারিও হইনি’, কেন বললেন রাজপাল?

অভিনেতার দাবি, তাঁর একমাত্র পরিচয় হওয়া উচিত তিনি কৌতুক অভিনেতা। তিনি বলেন, “রাজপালের মুখ দেখলেই যেন মানুষের মনে হাসির ফোয়ারা ছোটে। আমার থেকে এর বেশি কিছু আশা করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী লিখল, তাতে কান দেবেন না। অনেকেই শুভাকাঙ্ক্ষী সেজে এসব রটাচ্ছেন, আবার অনেকে না জেনেই তিলকে তাল করছেন।” প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যে তিনি ভেঙে পড়েননি, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট।

‘আমি কাঁদিনি, আর ভিখারিও হইনি’, কেন বললেন রাজপাল?
Image Credit source: facebook

Mar 04, 2026 | 5:55 PM

পর্দার সামনে তিনি আসা মানেই হাসির রোল ওঠে। ছোটখাটো চেহারার মানুষটা যখন সংলাপ বলেন, তখন দর্শক সব দুঃখ ভুলে হেসে লুটোপুটি খান। কিন্তু বাস্তবের রাজপাল যাদবকে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে যা চলছে, তাতে হাসি তো দূর—বরং বিতর্কের মেঘ ঘনিয়েছে বারবার। জেল থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়ার পর এতদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় হওয়া তাঁকে নিয়ে লেখালিখি নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেতা। সাফ জানিয়ে দিয়োছেন, তাঁকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ‘কান্নাকাটির’ গল্প ফাঁদা হয়েছে, তা এক বর্ণও সত্যি নয়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল যাদব তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় রটনার জবাব দিয়েছেন। নেটপাড়ায় রটে গিয়েছিল, আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নাকি অঝোরে কেঁদেছিলেন অভিনেতা। এমনকি বিচারকের কাছে নাকি হাত জোড় করে বলেছিলেন, তাঁর কাছে কোনও টাকা নেই। এই প্রসঙ্গে খানিক বিরক্ত হয়ে রাজপাল বলেন, “আমি বিচারকের সামনে কখনওই কাঁদিনি। আর আমার কাছে টাকা নেই—এমন আজগুবি কথাও কখনও বলিনি। যাঁরা মামলা সম্পর্কে কিছুই জানেন না, তাঁরাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এসব মিথ্যে খবর ছড়াচ্ছেন।”

অভিনেতার দাবি, তাঁর একমাত্র পরিচয় হওয়া উচিত তিনি কৌতুক অভিনেতা। তিনি বলেন, “আমার মুখ দেখলেই যেন মানুষের মনে হাসির ফোয়ারা ছোটে। আমার থেকে এর বেশি কিছু আশা করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী লিখল, তাতে কান দেবেন না। অনেকেই শুভাকাঙ্ক্ষী সেজে এসব রটাচ্ছেন, আবার অনেকে না জেনেই তিলকে তাল করছেন।” প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যে তিনি ভেঙে পড়েননি, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট।

আইনি লড়াইয়ের এই কঠিন সময়ে ইন্ডাস্ট্রির অনেককেই পাশে পেয়েছেন বলে জানান রাজপাল। তিনি বলেন, “অনেকেই আমাকে সাহায্য করেছেন, যদিও তাঁদের নাম সোশ্যাল মিডিয়ায় আসেনি। পর্দার আড়ালে থেকে অনেকেই হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।” একইসঙ্গে নিজের পরিবারের সমর্থনের কথাও কৃতজ্ঞচিত্তে মনে করান তিনি।

চেক বাউন্স মামলায় সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন রাজপাল। শুনানির সময় অভিনেতার আইনজীবী জানান, রাজপাল ইতিমধ্য়েই ১.৫ কোটি টাকার একটি ডিমান্ড ড্রাফট জমা দিয়েছেন। তবে শর্তসাপেক্ষে তাঁর পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাঁর ভক্তরা সকলেই তাঁর এই আইনি জটিলতা কাটিয়ে কাজে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।