
বিগ বস বাংলা (Bigg Boss Bangla) মানেই বিতর্ক আর ভরপুর নাটক! তবে এবার যা ঘটল, তা দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছে দর্শকদের। সদ্য সিক্রেট রুম থেকে ফিরে এসেছেন নন্দিনী। আর ফিরেই একেবারে রণমূর্তি ধারণ করেছেন তিনি। বিগ বসের ঘরে রাজবীরের সঙ্গে তাঁর প্রেমের চর্চা সব জায়গাতেই। কখনও তাঁরা একে অপরের প্রেমে মগ্ন, কখনও আবার তাঁদের মধ্যে চলছে তুমুল ঝগড়া। চারদিকে হাজারটা ক্যামেরা, তবু সব ভুলে গিয়েছেন তাঁরা। তবে বৃহস্পতিবার রাতে যা হল, তা যেন সব সীমা পার করে গিয়েছে।
কী ঘটেছে?
সব কিছুর সূত্রপাত একটা আংটিকে কেন্দ্র করে। নন্দিনীর নামের ‘এন’ (N) লেখা একটি আংটি ভুল করে হারিয়ে ফেলেন রাজবীর। ব্যস, এরপর আর যায় কোথায়! মুহূর্তে শুরু হয় তুমুল বচসা। তর্কাতর্কি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, রাগের মাথায় রাজবীরকে রীতিমতো ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেন নন্দিনী। এমনকি উলটে গায়ে হাত তুলতেও ছাড়েননি।
ক্যামেরার সামনে এই অপমান মেনে নিতে পারেননি রাজবীর। প্রচণ্ড রেগে গিয়ে তিনি নিজের গালেই সপাটে চড় মারতে শুরু করেন। এরপর কড়া ভাষায় নন্দিনীকে তিনি জানিয়ে দেন, গায়ে হাত দিয়ে কথা বলা তিনি একেবারেই বরদাস্ত করবেন না। রাজবীরের স্পষ্ট কথা, “সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছো তুমি। আর পোষাচ্ছে না। এটাই শেষ।”
কী বলেছেন প্রেরণা?
ক্যামেরার সামনে এই চরম অশান্তি দেখে চুপ করে থাকতে পারেননি ইনফ্লুয়েন্সার প্রেরণা দাস। সোশাল মিডিয়ায় তিনি কড়া ভাষায় এই ঘটনার সমালোচনা করেছেন। কারও নাম না নিয়েই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই শারীরিক নির্যাতন নিয়ে কেউ কোনও কথা বলছে না কেন?
প্রেরণার মতে, এটাকে মোটেই নারী-পুরুষের সাম্য বলা যায় না। তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, “একটা ছেলে এটা করলে তো এতক্ষণে জেলে থাকত!” এই ধরনের আচরণকে তিনি চরম ‘টক্সিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, মানুষের মনে নিরাপত্তাহীনতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাই বলে এমন ‘মাথা খারাপ’ মেনে নেওয়া যায় না!
নেটিজেনদের একটা বড় অংশও কিন্তু প্রেরণার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। দর্শকদের অনেকেই মনে করছেন, নন্দিনীর সঙ্গে এই টক্সিক সম্পর্কের জেরেই বিগ বসের ঘরে নিজের আসল খেলাটা নষ্ট করে ফেলছেন রাজবীর। এখন দেখার, আগামী দিনে এই সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়!