জানেন বিজয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসার তাড়ায় কী ঘটিয়ে বসেন রশ্মিকা?

যদিও শিল্পীদের পক্ষে সেই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। তন্বী জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত সাজাতে এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লেগেছিল। তবে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরোপুরি তৈরি হয়ে বিয়ের পিঁড়িতে যেতে রশ্মিকা সময় নিয়েছিলেন মোটে দেড় ঘণ্টা। কোনো টালবাহানা বা বিরক্তি নয়, বরং চোখেমুখে একরাশ আনন্দ নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে হেঁটে গিয়েছিলেন তিনি। মেকআপ শিল্পী মনে করেন, রশ্মিকার সেই খুশিই তাঁর মুখের ঔজ্জ্বল্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।

জানেন বিজয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসার তাড়ায় কী ঘটিয়ে বসেন রশ্মিকা?
রশ্মিকা

Apr 16, 2026 | 12:10 PM

ফেব্রুয়ারি মাসেই উদয়পুরের রাজকীয় প্রাসাদে চার হাত এক হয়েছে ভারতের ‘ন্যাশনাল ক্রাশ’ রশ্মিকা মন্দানা এবং দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডার। বিয়ের মাস দেড়েক কেটে গেলেও অনুরাগীদের মনে এখনও সেই রূপকথার বিয়ের আমেজ টাটকা। তবে সম্প্রতি সামনে এল এক অবাক করা তথ্য। সাধারণত তারকাদের বিয়ের সাজগোজ মানেই ঘন্টার পর ঘন্টা মেকআপ ভ্যান বা সাজঘরে বন্দি থাকা। কিন্তু রশ্মিকা নাকি ছিলেন একেবারেই উল্টো! নিজের বিয়েতে মেকআপ করার জন্য শিল্পীদের হাতে মোটে ৪০ মিনিট সময় দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

রশ্মিকার বিশেষ দিনের লুক তৈরি করেছিলেন বিখ্যাত মেকআপ আর্টিস্ট তন্বী চেম্বুরকর। সম্প্রতি মাসুম মিনাওয়ালার একটি পডকাস্টে এসে তন্বী ফাঁস করেছেন সেই দিনের নেপথ্যের গল্প। তিনি জানান, বিয়ের আগের রাতেও একটি অনুষ্ঠান থাকায় রশ্মিকার ঠিকঠাক ঘুম হয়নি। হাতে সময় ছিল খুব কম। তন্বীর কথায়, “রশ্মিকা এক্কেবারে কাট টু কাট সময়ে পৌঁছে আমাদের বলে দিয়েছিল, ‘বন্ধুরা, তোমাদের হাতে আমাকে সাজানোর জন্য মাত্র ৪০ মিনিট আছে’।”

যদিও শিল্পীদের পক্ষে সেই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। তন্বী জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত সাজাতে এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লেগেছিল। তবে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরোপুরি তৈরি হয়ে বিয়ের পিঁড়িতে যেতে রশ্মিকা সময় নিয়েছিলেন মোটে দেড় ঘণ্টা। কোনো টালবাহানা বা বিরক্তি নয়, বরং চোখেমুখে একরাশ আনন্দ নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে হেঁটে গিয়েছিলেন তিনি। মেকআপ শিল্পী মনে করেন, রশ্মিকার সেই খুশিই তাঁর মুখের ঔজ্জ্বল্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।

২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে বিয়ের পর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে জমকালো রিসেপশন পার্টির আয়োজন করেছিলেন এই দম্পতি। তবে শুধু ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের মধ্যেই আনন্দ সীমাবদ্ধ রাখেননি তাঁরা। দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও নিজেদের খুশি ভাগ করে নিতে বড় উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিজয় ও রশ্মিকা। ১ মার্চ সারা ভারতের বিভিন্ন শহরে ট্রাক বোঝাই মিষ্টি পাঠিয়েছেন তাঁরা। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা থেকে শুরু করে কোচি বা কুর্গ— দেশের আনাচে-কানাচে অন্নদান এবং মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে নিজেদের নতুন জীবনের আশীর্বাদ চেয়েছেন এই তারকা জুটি।
বর্তমানে এই দম্পতি নিজেদের বৈবাহিক জীবন উপভোগ করছেন। কুর্গের মেয়ে রশ্মিকা উপহার হিসেবে বাবার কাছ থেকে বাংলোও পেয়েছেন। সব মিলিয়ে রশ্মিকা ও বিজয়ের প্রেমকাহিনি এখন সিনেমার পর্দা ছাপিয়ে বাস্তবের মাটিতেও সুপারহিট।

Follow Us