
স্বরূপ বিশ্বাস জমানার অবসানের পর ফেডারেশনের নির্বাচন ঘিরে সরগরম টেকনিশিয়ান স্টুডিয়ো। তবে এই বিনোদন দুনিয়ার ভোটের মাঝেই চর্চায় উঠে এল রাজ্য রাজনীতি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির সামনে হঠাৎই বসেছে লোহার ব্যারিকেড, উঁচু করা হল রেলিং। আর এই ‘লৌহকপাট’ নিয়েই এবার টিভি ৯ বাংলার কাছে মুখ খুললেন বিধায়ক তথা অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
রবিবার টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োতে উপস্থিত ছিলেন রূপা। সেখানে মমতার বাড়ির সামনে রেলিং উঁচু করার বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এই ঘটনাটি তিনি জানতেন না। স্পষ্ট জানান, “কেন করা হয়েছে যাঁরা করেছেন তাঁরাই বলতে পারবেন।”
অন্যদিকে, জ্ঞানেশ কুমারের ঘটনায় বিরোধীদের একজোট হওয়ার প্রসঙ্গেও কড়া প্রতিক্রিয়া দেন অভিনেত্রী। রূপা বলেন, “রাজনীতিতে বিরোধিতা সবাই করতে পারেন সেটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। বিরোধিতা এমন ভাবেই করা উচিত যার সুষ্ঠু উত্তর আপনি খুঁজছেন, সমাধান যা চাইছেন সেটা ভালো খারাপ বুঝতে হবে ভাবতে শিখতে হবে, এমন কোনও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা উচিত নয় যেখানে আপনি পুলিশকে মারছেন। মহিলা পুলিশদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়।”
এদিন ফেডারেশন নির্বাচন নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। রূপা জানান, একেবারে নিয়ম মেনেই ভোট হচ্ছে। অরূপ বিশ্বাস ও স্বরূপ বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আগে ইন্ডাস্ট্রিতে যা যা ঘটেছে তা অনেকেরই ভালো লাগেনি।
নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনে স্টুডিয়োতে হাজির হন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীও। ভোটদান পর্ব চলছে একেবারে শান্তিতে। তবে কার্ড জমা করতে ভুলে যাওয়ায় বা ডকুমেন্টের অভাবে অনেকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। এদিন এক ব্যক্তি কান্নাকাটি করে মিঠুনকে সে কথা জানান। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মিঠুন বলেন, “আমি অনেক বড় বুঝিয়েছি, কেউ দুঃখ করিস না কেউ কষ্ট পাস না। যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের নিয়ে বসব। কেন তোদের নাম বাদ গিয়েছে দেখব।” তিনি আরও জানান, অনেক ভুয়ো কার্ড রয়েছে, অনেকে মারা গিয়েছেন, সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাঁদের কার্ড সত্যি, তাঁদের নিয়ে নিশ্চয়ই বসা হবে।
তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে টলিউড পেল এক নতুন চমক। রূপার কাজের প্রশংসা করে মিঠুন জানান, তিনি অত্যন্ত অ্যাক্টিভ। পাশাপাশি মহাগুরু এও খোলসা করেন, খুব তাড়াতাড়ি তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে কোনও ছবিতে দেখা যাবে।