AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Rudranil Ghosh: বাংলায় আসছেন হলিউড, বলিউডের নির্মাতারা, ইন্ডাস্ট্রিতে আশার আলো? কী বলছেন রুদ্রনীল ঘোষ

Rudranil Ghosh on Film Shooting : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে টলিপাড়ার সম্পর্ক গভীর ভাবে জড়িয়ে পড়েছে, রাজনীতির অলিন্দে যেমন অভিনেতারা ঢুকে পড়েছেন, ঠিক তেমনই বাংলার রাজনীতি কোথাও গিয়ে টলিপাড়াকে নিয়ন্ত্রণ করেছ। বিগত সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই সোচ্চার হয়েছে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। ব্যান কালচার থেকে তোলাবাজির নানা ঘটনা একের পর এক খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে।

Rudranil Ghosh: বাংলায় আসছেন হলিউড, বলিউডের নির্মাতারা, ইন্ডাস্ট্রিতে আশার আলো? কী বলছেন রুদ্রনীল ঘোষ
| Edited By: | Updated on: Jun 24, 2026 | 1:08 PM
Share

বাংলার সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে সমাজের নানা স্তরে যেমন পাহাড় সমান দুর্নীতি চোখে পড়ছে, তেমনই আবার রাজ্যে নতুন নতুন শিল্প আসার সম্ভবনাও দেখা দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে টলিপাড়ার সম্পর্ক গভীর ভাবে জড়িয়ে পড়েছে, রাজনীতির অলিন্দে যেমন অভিনেতারা ঢুকে পড়েছেন, ঠিক তেমনই বাংলার রাজনীতি কোথাও গিয়ে টলিপাড়াকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। বিগত সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই সোচ্চার হয়েছে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। ব্যান কালচার থেকে তোলাবাজির নানা ঘটনা একের পর এক খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। টলিপাড়ার কলাকুশলীদের কথা অনুযায়ী ফেডারেশনের তুঘলকি আইনের কবলে বলি হয়েছে বহু কাজের সম্ভবনা। প্রতিবেশী দেশের বহু কাজের যে সম্ভবনা ছিল তাও এই নিয়মের ফাঁসে ফিরে গিয়েছে।

একটা সময়ে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের বহু পরিচালক প্রযোজক পশ্চিমবঙ্গে শুটিং করেছে। তবে শেষ দশ বছরে পরিস্থিতির অবনতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে বাংলা সিনেমার পরিচালকরাই পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তে দেশের অন্য রাজ্যে শুটিংয়ের পরিকল্পনা করেছেন।

তবে নতুন বিজেপি সরকারের গঠনে আশার আলো দেখছে টলিপাড়া। বহুদিন ধরে পরিকল্পনার পর অবশেষে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিকের কাজ চলছে কলকাতায়। তেমনই টলিপাড়ার অন্দরের খবর বেশ কিছু নতুন বলিউড তথা দক্ষিণী ছবি শুধু নয়, হলিউডের ছবির শুট হওয়ার কথা কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। সূত্র অনুযায়ী আগামী অগস্ট মাসেই কলকাতায় শুট হবে পরিচালক মনি রত্নমের আগামী ছবির। এছাড়াও খবর পরিচালক ওম প্রকাশ মেহরা অভিনেত্রী নন্দিতা দাশকে নিয়ে ছবির শুট করতে আসছেন।

এছাড়াও বিখ্যাত মার্কিন পরিচালক মার্টিন স্কোরসেসি তাঁর আগামী ছবির শুটে আসতে চলেছেন কলকাতায়। সূত্র অনুযায়ী মার্টিন স্কোরসেসি মাদার টেরেজার উপর ছবির শুটিংয়ে আসার কথা। এছাড়াও বহু প্রযোজক সংস্থা কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গে শুট পরিকল্পনা করছেন।

এই সব ছবিতেই কলকাতার বহু কলাকুশলীদের কাজের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাহলে কি টলিপাড়ায় খরা কাটছে? এই বিষয়ে অভিনেতা তথা বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে টিভিনাইন বাংলা কথা বললে, তিনি বলেন, “প্রথম কথা হল কলকাতার বাইরে সবাই জেনে গিয়েছিল যে আগের সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বাইরে থেকে কোনও সংস্থা শুটিং করতে এলে সে সিনেমা , সিরিজ, ডকুমেন্ট্রি করতে এলে এমন একটা টাকার বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, যা ভারতের অন্য কোথাও এমন নিয়ম নেই। ফলত তাঁরা দেখেছেন, এই ঝক্কি ঝামেলা, যা অত্যাচার এক প্রকারের, সেটার মধ্যে ফাঁসার থেকে তাঁরা অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছিলেন, যেখানে এই সব ঝামলা নেই । এতে ক্ষতি হচ্ছিল আমাদের কলাকুশলীদের। রাজ্য সরকার রেভেনিউতেও প্রভাব পড়ত। বাইরের পরিচালকরা কলকাতার নাম শুনলেই কেঁপে উঠতেন, কারণ তাঁরা জানতেন এখানে এমন একটা সরকার রয়েছে, যারা তোলাবাজিতে মদত দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে আমলে। তাই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির মত অন্য শিল্পীপতিরাও চা খেয়ে চলে যেতেন, কোন লগ্নি করতেন না। যদিও তাঁরা জানতেন, এখানে দক্ষকর্মী ও শিল্পের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এখন সরকার পরিবর্তনের পর আশার আলো দেখা যাচ্ছে, কেবলমাত্র ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নয় অন্য শিল্প বানিজ্য ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ আসছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই ছাপই পড়ছে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতেও। এমনই ছিল আমাদের টলিপাড়া। রাজনীতিকরণ এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল যে মানুষের জীবন জীবিকা কেড়ে নিচ্ছিল। রাজনীতি থাকবেই তবে যে রাজনীতি মানুষের জীবিকা কেড়ে নেয়, তা আসলে দুর্নীতি। আর দুর্নীতি মানেই তৃণমূল। এবার যেহেতু নতুন সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই কারণেই সবাই পশ্চিমবঙ্গে ফিরছে। অবশ্যই এটা আশার কথা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য। “

Follow Us