SRK 61st birthday: স্টারডমের তোয়াক্কাই করেননি! জন্মদিনে ফিরে দেখা শাহরুখের সেরা ১১ ব্যতিক্রমী চরিত্র

Shah Rukh Khan: শাহরুখ খান মানেই কি কেবল রোমান্স? একেবারেই নয়। স্টারডমের তোয়াক্কা না করে বারবার চেনা ছক ভেঙেছেন তিনি। ৬১তম জন্মদিনে ফিরে দেখা কিং খানের সেরা ১১টি চ্যালেঞ্জিং চরিত্র। বিস্তারিত জানতে পড়ুন

SRK 61st birthday: স্টারডমের তোয়াক্কাই করেননি! জন্মদিনে ফিরে দেখা শাহরুখের সেরা ১১ ব্যতিক্রমী চরিত্র
বিস্তারিত জানতে পড়ুনImage Credit source: tv9 network

Nov 02, 2026 | 11:05 AM

আজ শাহরুখ খানের ৬১তম জন্মদিন। বলিউড ‘বাদশা’ বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে দু’হাত ছড়ানো সেই আইকনিক পোজ। কিন্তু তাঁর কেরিয়ার গ্রাফ একটু খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যায়, তিনি শুধু রোমান্টিক হিরো হিসেবেই আটকে নেই। চেনা ইমেজের বাইরে গিয়ে বারবার নিজেকে ভেঙেছেন কিং খান। কখনও হয়েছেন সিরিয়াল কিলার, কখনও বা সাইকো ফ্যান। স্টারডমের তোয়াক্কা না করে এমন কিছু চ্যালেঞ্জিং চরিত্র তিনি বেছে নিয়েছিলেন, যা দর্শকদের আজও অবাক করে। তিনি প্রমাণ করেছেন, তাঁকে কোনও নির্দিষ্ট ছকে ফেলা যায় না। চলুন, তাঁর জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক সেই ১১টি অবিস্মরণীয় চরিত্র।

মায়া মেমসাব (১৯৯৩)
লিড রোলে না থেকেও কীভাবে নজর কাড়তে হয়, তা শাহরুখ তখনই দেখিয়েছিলেন। এক বিবাহিত মহিলার প্রেমে পড়া এই রহস্যময় চরিত্রে তাঁর এক্সপ্রেশন বাকি সব তাবড় অভিনেতাদের অনায়াসে পিছনে ফেলে দিয়েছিল।

বাজিগর (১৯৯৩)
কেরিয়ারের শুরুতেই এমন ঝুঁকি! পর্দায় রোমান্স করা এক তরুণ অভিনেতা যে অবলীলায় এক ঠান্ডা মাথার খুনির চরিত্রে ভয় ধরিয়ে দিতে পারেন, তা তখন কেউ ভাবতেই পারেনি। বাজিগরের সেই ডার্ক শেডস আজও দর্শকদের হট ফেভারিট।

ডর (১৯৯৩)
সানি দেওলের মতো মেগাস্টারের বিপরীতে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করা মুখের কথা নয়। কিন্তু এক পাগল প্রেমিকের চরিত্রে শাহরুখ যেন পুরো লাইমলাইটটাই কেড়ে নিলেন। কেরিয়ারের শুরুতেই সগর্বে ঘোষণা করলেন, বলিউডে তিনি শুধু হিরো হতে আসেননি, রাজত্ব করতে এসেছেন।

কভি হাঁ কভি না (১৯৯৪)
বক্স অফিসে হয়তো সেভাবে ঝড় তোলেনি, কিন্তু সুনীলের চরিত্রে তাঁর সেই দুষ্টুমিমাখা অভিনয় আজও মন ছুঁয়ে যায়। নিজের ভালোবাসাকে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার এই গল্পে অঞ্জন শ্রীবাস্তবের সঙ্গে তাঁর রসায়ন ছিল দেখার মতো।

হে রাম (২০০০)
কমল হাসানের এই ছবিতে আমজাদ আলি খানের চরিত্রে শাহরুখ একেবারে অন্য অবতারে ধরা দেন। চেনা ছকের বাইরে গিয়ে তাঁর এই অভিনয় প্রমাণ করেছিল, তিনি কতটা ভার্সেটাইল।

স্বদেশ (২০০৪)
নাসার আরামদায়ক জীবন ছেড়ে দেশের মাটিতে ফেরা। গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বদলানোর তাগিদ। মোহন ভার্গবের এই চরিত্রটিকে শাহরুখের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা মাস্টারপিস বললেও হয়তো কম বলা হয়।

চাক দে! ইন্ডিয়া (২০০৭)
কবীর খান, নামটাই যথেষ্ট। স্পোর্টস ড্রামার মোড়কে এক জাতীয় খেলোয়াড়ের সম্মান ফিরে পাওয়ার এই গল্পে শাহরুখের সাবলীল অভিনয় আজও গায়ে কাঁটা দেয়। এই ছবির পরেই কিন্তু দেশে হকির ক্রেজ একলাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল।

মাই নেম ইজ খান (২০১০)
এই ছবি তাঁকে রাতারাতি গ্লোবাল আইকন বানিয়ে দেয়। অটিজমে আক্রান্ত রিজওয়ান খানের চরিত্রে তাঁর অভিনয় এতটাই নিখুঁত ছিল যে, খোদ বারাক ওবামা ভারতে এসে এই ছবির ডায়লগ আউড়েছিলেন।

ফ্যান (২০১৬)
সুপারস্টার আর তাঁর এক সাইকো ফ্যানের গল্প। আরিয়ানের স্টারডম আর গৌরবের পাগলামি, ডবল রোলে নিজেকে যেভাবে তিনি আলাদা করে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

ডিয়ার জিন্দেগি (২০১৬)
ডক্টর জাহাঙ্গীর খান বা ‘জাগ’। এক সাইকোলজিস্ট ও লাইফ কোচের চরিত্রে তাঁর স্ক্রিনটাইম কম হলেও, পুরো ছবি জুড়ে তাঁর অভিনয়ের জাদুই দর্শকদের বেঁধে রেখেছিল।

জিরো (২০১৮)
উচ্চতায় খাটো কিন্তু স্বপ্নে আকাশছোঁয়া। অনুষ্কা ও ক্যাটরিনার বিপরীতে বউয়া সিংয়ের চরিত্রে তাঁর অভিনয় এক অন্যরকম অনুপ্রেরণার গল্প বলেছিল। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে স্বপ্নের পথে বাধা নয়, সেটাই বারবার প্রমাণ করেছিল এই চরিত্র।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us