AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কেরিয়ারের শুরুতে শিঙারা বিক্রি করতেন শাহরুখ! কিং খানের জীবনের কোন গল্প এল সামনে?

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই অজানা তথ্যটি জনসমক্ষে এনেছেন প্রবীণ অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর। তিনি জানান, মাত্র ১০ বছর বয়স থেকে এনএসডি-র ক্যাম্পাসে শিঙাড়া বিক্রি করতেন ছোট্ট শাহরুখ। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে ‘রাম জানে’ ছবিতে শাহরুখের সঙ্গেই স্ক্রিন শেয়ার করেন পঙ্কজ।

কেরিয়ারের শুরুতে শিঙারা বিক্রি করতেন শাহরুখ! কিং খানের জীবনের কোন গল্প এল সামনে?
| Updated on: Jun 22, 2026 | 6:48 PM
Share

বিগত তিন দশক ধরে বলিউডের সিংহাসন একচ্ছত্রভাবে আলো করে রেখেছেন শাহরুখ খান। কোনও ফিল্মি ব্যাকগ্রাউন্ড বা গডফাদার ছাড়া, স্রেফ নিজের প্রতিভার জোরে দিল্লির এক সাধারণ তরুণ আজ মুম্বইয়ের মায়ানগরীর ‘বাদশা’। থিয়েটারের মঞ্চ থেকে টেলিভিশনের পর্দা, আর তারপর রুপোলি পর্দায় রাজকীয় উত্থান—তাঁর এই সফরনামা রূপকথার চেয়ে কম নয়। তবে সাফল্যের এই শিখরে পৌঁছনোর আগে, একটা সময় দিল্লির ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’ (NSD)-র ছাত্রদের কাছে শিঙাড়া বিক্রি করতেন আজকের এই মেগাস্টার! হ্য়াঁ, রোজগার খরচ জোগাতে শাহরুখ নাকি এমনটাই করতেন। ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই অজানা তথ্যটি জনসমক্ষে এনেছেন প্রবীণ অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর। তিনি জানান, মাত্র ১০ বছর বয়স থেকে এনএসডি-র ক্যাম্পাসে শিঙাড়া বিক্রি করতেন ছোট্ট শাহরুখ। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে ‘রাম জানে’ ছবিতে শাহরুখের সঙ্গেই স্ক্রিন শেয়ার করেন পঙ্কজ। তবে তখনও তিনি মেলাতে পারেননি যে, এই সুপারস্টারই আসলে এনএসডি-র সেই ছোট্ট ছেলেটি। ১৯৭৬ সালের এনএসডি ব্যাচের ছাত্র ছিলেন পঙ্কজ কাপুর ও নাসিরুদ্দিন শাহের মতো কিংবদন্তিরা। শাহরুখ নিজেও বহু সাক্ষাৎকারে স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, দেশের এই দিকপাল অভিনেতাদের কোলেপিঠেই কেটেছে তাঁর শৈশব। আসলে এনএসডি ক্যাম্পাসে শাহরুখের পরিবারের একটি ক্যান্টিন ছিল, আর সেই সূত্রেই সেখানে তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল।

অভিনয় দুনিয়ায় পা রাখার আগে ব্যবসায়ী হিসেবেও লড়াই করতে হয়েছে শাহরুখের পরিবারকে। দিল্লির সফদরজঙ্গ এলাকায় তাঁর বাবা মীর তাজ মহম্মদ খানের ‘খাতির’ নামে একটি রেস্তোরাঁ ছিল। বাবার অকালপ্রয়াণের পর সেই রেস্তোরাঁর পুরো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শাহরুখের মা। মূলত এই রেস্তরাঁর আয় থেকেই চলত তাঁদের সংসার। এর পাশাপাশি এনএসডি-র ক্যান্টিনটিও সামলাতেন তাঁরা। শাহরুখ জানান, ছোটবেলায় স্কুল ছুটি হওয়ার পর তাঁর হাতে ঘণ্টা দুয়েক সময় থাকত। সেই সময়টায় এনএসডি ক্যাম্পাসে বসেই তিনি তাঁর বোনের জন্য অপেক্ষা করতেন। আর এই অবসরেই প্লেটে শিঙাড়া সাজিয়ে পৌঁছে যেতেন থিয়েটারের শিক্ষার্থীদের টেবিলে। খুব অল্প বয়সে অভিনয়ের সেই আবহে থাকা এবং মহড়া দেখার মাঝেই অলক্ষ্যে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা জন্মে গিয়েছিল কিং খানের।

Follow Us