Pradhan Mantri Bhartiya Janaushadhi Kendra: প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্র মিলছে না ওষুধ, Tv9 বাংলার থেকে জানতে পেরেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস MP-র
এরপরই এই বিষয়ে টিভি ৯ বাংলা যোগাযোগ করেছিল জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত কুমার রায়ের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্রগুলিতে ওষুধ অমিল এই বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জলপাইগুড়ি: জীবনদায়ী ওষুধ অমিল প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্র গুলিতে। টিভি নাইন বাংলার কাছ থেকে অভিযোগ শুনে চোখ কপালে উঠল সাংসদের। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস। জলপাইগুড়ি জেলার সমস্ত প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্রগুলি থেকে মিলছে না সুগার, প্রেশার,হার্ট,কিডনি, নার্ভের ওষুধ। খোলা বাজার থেকে চড়া দামে ওষুধ কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে রোগীদের।
জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্র।জেলায় ১০ টির বেশি রয়েছে এইজাতীয় ওষুধ বিক্রি কেন্দ্র। ভারত সরকারের উদ্যোগে এই কেন্দ্র গুলি থেকে অত্যন্ত কম মূল্যে উচ্চ গুন মান সম্পন্ন জীবনদায়ী ওষুধ বিক্রি করা হয়। ফলে সর্বস্তরের মানুষ এই দোকানের ওষুধের উপর নির্ভরশীল।
এই দোকান গুলি থেকে মেটফরমিন, এমলোডিপিন, বিসোপ্রোরোল ছাড়াও ব্লাড সুগারের জন্য বিভিন্ন ধরনের ইনসুলিন। হার্টের জন্য ট্রাইমেটাজলিন। ইনফেকশনের জন্য এমোক্সিসিলিন, সিফিকজিম, গ্যাস অম্বলের জন্য ইসমোপ্রাজল সহ ৩ শতাধিক বিভিন্ন মলিকুলের জীবনদায়ী ওষুধ বিক্রি করা হয়। গত কয়েক বছরে এইসব দোকান গুলিতে ওষুধ বিক্রি বেড়েছে বহুগুণ। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী জোগান নেই।ফলে সমস্যা বাড়ছে।
অভিযোগ, গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গ জুড়ে থাকা এই কেন্দ্রগুলিতে শতাধিক মলিকুলের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। যার মধ্যে রয়েছে হার্টের জন্য ট্রাইমেটাজলিন, প্রেশারের জন্য এমলোডিপিন, সুগারের জন্য মেটফরমিন, অ্যান্টিবায়োটিক সিফিকজিম সহ শতাধিক ওষুধ। আর এর ফলে প্রায় ৫ থেকে ৭ গুন বেশি দামে এই ওষুধ গুলি অন্য দোকান থেকে কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে মানুষের।বিক্রেতাদের অভিযোগ, ওষুধের অপ্রতুলতার ব্যাপারে অভিযোগ জানানোর কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে তাঁরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না। তাই ক্রেতা থেকে বিক্রেতা উভয় পক্ষই তীব্র ভাবে দাবি করেছেন দ্রুত ওষুধের জোগান স্বাভাবিক করা হোক।
এরপরই এই বিষয়ে টিভি ৯ বাংলা যোগাযোগ করেছিল জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত কুমার রায়ের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্রগুলিতে ওষুধ অমিল এই বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
