
বাংলায় কি শিল্পীদের অসম্মান করার পর্ব চলছে? এবার কৃষ্ণনগরে শো করে ফিরে গায়ক শিলাজিত্ বললেন, ”আমার খুব খারাপ লেগেছে। খুব কষ্ট পেয়েছি।” সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটা ভিডিয়ো পোস্ট করে গায়ক বলেছেন, ”জানিনা আবার কবে কৃষ্ণনগর যেতে পারব। তোমরা যখন এসে গাড়ির মধ্যে নক করছিলে…যাই হোক আমার খুব খারাপ লেগেছে। বসুন্ধরা গাইতে পারিনি, সর্বনাশ গাইতে পারিনি, আরও গান গাইতে পারিনি। খুব খারাপ লেগেছে যে আমাদের কথোপকথনটা করতে দেওয়া হল না। যদি জানতাম, পুলিশ আমাদের প্রায় তাড়িয়ে দেবে বা সংগঠকরা ভাবছেন কখন আপদ বিদায় হবে, তা হলে কৃষ্ণনগরে আমার বন্ধু আছে, অনুরাগী আছে, তাঁদের কারও জায়গায়, সিকিওরড প্লেসে, এটা আমরা করতাম। আগেও করেছি।”
শিলাজিত্ ভিডিয়োতে জানান, কৃষ্ণনগরের অনুরাগীরা সেলফি তুলতে পারেননি। তাঁর জন্য তিনি কষ্ট পেয়েছেন। এরপর তাঁদের শো আছে সল্ট লেকে। সেখানে এই অনুরাগীরা আসতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। লক্ষণীয় বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে শো করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন শিল্পীরা। এর আগে আরামবাগের এক অনুষ্ঠানে লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে ‘সেকুলার গান’ গাইতে বলা হয়, তিনি ‘জাগো মা’ গাইছিলেন বলে। এবার শিলাজিতের অভিযোগ কৃষ্ণনগরে পুলিশ তাঁকে প্রায় তাড়িয়ে দিয়েছে।
রবিবার যখন বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ চলছিল, তখন গায়ক এই ভিডিয়ো করেন। স্পষ্ট করে দেন, তাঁর খুব খারাপ লেগেছে এই ঘটনায়। শুধু শিলাজিত্ বা লগ্নজিতা নন, শো করতে গিয়ে নানা রকম সমস্যার মুখে পড়ে অন্য গায়ক-গায়িকারা সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন এর আগে। শিলাজিতের ঘটনা নিয়ে এরপর কী হয়, তা দেখার অপেক্ষা।