Kabir Suman: হঠাৎ পাপিয়া অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কবীর সুমন, কি উপকার করলেন?

Papiya Adhikari: বাড়ির পাশের হেলে পড়া গাছ থেকে রাস্তার নিভে যাওয়া আলো, পাড়ার জোড়া সমস্যায় নাজেহাল প্রবীণ গায়ক কবীর সুমন। সাহায্যে এগিয়ে এলেন অভিনেত্রী ও বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। কী বলেছেন গায়ক?

Kabir Suman: হঠাৎ পাপিয়া অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কবীর সুমন, কি উপকার করলেন?
কী বলেছেন তিনি?

Oct 02, 2026 | 12:36 PM

গায়ক তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কবীর সুমন সম্প্রতি নিজ এলাকার একটি নাগরিক সমস্যা নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রশাসনের। আর সেই সমস্যা সমাধানে দ্রুত এগিয়ে এলেন টালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়িকা তথা জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। জনপ্রতিনিধির এই তৎপরতার প্রশংসা শোনা গেল প্রবীণ শিল্পীর মুখে।

ঠিক কী হয়েছিল?

কলকাতা পুরসভার ১০০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ৭৮ বছর বয়সী এই প্রবীণ গায়ক একটি ভিডিয়ো বার্তায় তাঁর সমস্যার কথা জানিয়েছেন। সুমনের বাড়ির পাশেই একটি বিশাল বড় গাছ আছে। দীর্ঘদিন ধরে তার ডালপালা কেউ কাটেনি। এদিকে ঝড়বৃষ্টিতে সেই গাছটি বিপজ্জনকভাবে একেবারে বিদ্যুতের তারের ওপর হেলে পড়েছিল। যে কোনও মুহূর্তে বড়সড় বিপদ হতে পারত। কিন্তু পাড়ার যিনি পুরনো জনপ্রতিনিধি, তাঁকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কবীর সুমন নিজেই ভিডিয়োতে জানিয়েছেন, “এই পাড়ায় আগের যিনি কাউন্সিলর ছিলেন, তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছে না।”

উপায় না দেখে এক পরিচিতের মাধ্যমে অভিনেত্রী ও বিধায়িকা পাপিয়া অধিকারীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর জোগাড় করেন প্রাক্তন এই তৃণমূল সাংসদ। আগে থেকে তাঁদের দুজনের মধ্যে তেমন কোনও আলাপই ছিল না। তবু ভরসা করে হোয়াটসঅ্যাপে গোটা সমস্যার কথা বিস্তারিত লিখে পাঠান তিনি। মেসেজ পাওয়া মাত্রই এক মুহূর্ত দেরি করেননি পাপিয়া অধিকারী। দ্রুত কর্পোরেশনের লোক পাঠিয়ে শুধু যে বিপদের ডালপালা কাটিয়ে দিলেন তা নয়, পুরো রাস্তাও পরিষ্কার করে দিলেন।

গাছের সমস্যা মিটতে না মিটতেই আরও এক বিপত্তি! হঠাৎ পাড়ার রাস্তার আলো নিভে যায়। এবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন পাপিয়া অধিকারীর সহযোগী সায়ন্তন সান্যাল। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে একদিনের মধ্যেই আলো সারিয়ে দেন।

পাড়ার এমন উন্নতি আর দ্রুত পরিষেবা পেয়ে দারুণ খুশি প্রবীণ গায়ক। ভিডিয়ো বার্তায় তিনি মন খুলে নতুন সরকারের কাজের প্রশংসা করেছেন। কবীর সুমন বলেন, “আমি যেটা দেখতে পাচ্ছি, নতুন সরকার এসে কাজ করছেন৷ পাড়ার দিকে নজর দিচ্ছেন। রাস্তায় নোংরা জমে থাকছে না৷ ময়লা সরানো হচ্ছে সময়মতো। জল আমরা পাচ্ছি৷ বিদ্যুৎ আমরা পাচ্ছি৷” জীবনের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, পাড়ার এমন সুন্দর পরিবেশ আর পরিষেবা দেখে আপ্লুত শিল্পী। খুশি মনে তিনি জানিয়েছেন, “মোটামুটিভাবে এর বাইরে আমি আমার এই বয়সে আর কিছু ভাবতে পারছি না।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us