‘জীবনে আনন্দ কীসে জানলেই তো না…’, পায়েলকে এভাবে খোঁচা সৌরভের!
Payel-Sourav: হালফিলে পরপর ছবি মুক্তি পাচ্ছে পায়েলের। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে কোনও ছবিই বক্স অফিসে সেভাবে হিট হতে পারছে না। বেছে বেছে কাজ করতে শুরু করেছেন তিনি, খবর তেমনটাই।

এমনটা যে হতে পারে তা আদপে বিশ্বাসই করতে পারছেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পায়েল সরকারের কথা শুনে রীতিমতো তাজ্জব তিনি। শুধু কি তিনি? পায়েলের বলা কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না মধুমিতা সরকারও। কিন্তু কী এমন বলেছেন পায়েল যা শুনে হতভম্ব হয়ে গিয়েছেন খোদ সৌরভ? সম্প্রতি ‘দাদাগিরি’তে হাজির হয়েছিলেন মধুমিতা সরকার, পায়েল সরকার অন্যান্য। সেখানে সৌরভকে পায়েল বলেন, “আমি এমন একটা জিনিস পছন্দ করি না, যা দাদা করে।” কী সেই জিনিস? স্বাভাবিক ভাবেই জানতে চান সৌরভ। উত্তরে পায়েল জানান, বিরিয়ানি একেবারেই পছন্দ করেন না তিনি। শুধু আকাশ থেকে পড়েন সৌরভ। কিন্তু অবাক হওয়ার বাকি ছিল আরও। পায়েল আরও জানান, তিনি পছন্দ করেন না ফুচকাও! বিরিয়ানি ও ফুচকা– বাঙালির এই দুই আবেগই কাঁচি তাঁর! এই কথা শুনেই কার্যত খোঁচা দিয়েই পায়েলকে সৌরভ বলেন, “জীবনে আনন্দ কীসের তা জানলেই না তো পায়েল।” তাতে অবশ্য আফসোস নেই পায়েলের। ছোট থেকে তিনি যে এমনটাই।
হালফিলে পরপর ছবি মুক্তি পাচ্ছে পায়েলের। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে কোনও ছবিই বক্স অফিসে সেভাবে হিট হতে পারছে না। বেছে বেছে কাজ করতে শুরু করেছেন তিনি, খবর তেমনটাই। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের বেহালা পূর্ব থেকে বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন পায়েল সরকার। যদিও তিনি জিততে পারেননি। এর পর থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আর দেখা যায়নি।
View this post on Instagram
এ নিয়ে কিছু দিন আগেই টিভিনাইন বাংলার কাছে মুখ খুলেছিলেন পায়েল। বলেছিলেন, “মানুষের সেবা করার জন্য কোনও দলে থাকা জরুরি নয়। উপকার করতে রাজনীতিতে নাম লেখাতে হয় না। যদি আপনার কাছে একটা বড় দল বা পার্টির সমর্থন থাকে, শক্তি থাকে, তবে আপনি যেটা করতে চান, সেটা একটু বড়মাত্রায় করতে পারেন। মানে আমি একা যেটা করি, সেটা আমি আমার ক্ষমতার মধ্যে থেকে করি। সেটা নিয়ে আমি কোনওদিন লাইম লাইটে আসিনি, আসতেও চাই না। কারও জন্য কিছু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোস্ট দিয়ে দিলাম, এটা আমি পছন্দ করি না। আমার মনে হয়, মন থেকে ভাল কিছু করার থাকলে এমনই করা যায়। তার প্রচার লাগে না।”
