
দক্ষিণী ছবির জগতের মেগাস্টার থালপতি বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এখন তোলপাড় নেটদুনিয়া। দীর্ঘ ২৭ বছরের সাজানো সংসার কি তবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? শুক্রবার সকাল থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে একটি খবর- স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম ডিভোর্সের মামলা ঠুকেছেন বিজয়ের বিরুদ্ধে। তবে চমক এখানেই শেষ নয়। ডিভোর্সের পিটিশনে সংগীতা যে অভিযোগ এনেছেন, তা শুনে চক্ষু চড়কগাছ অনুরাগীদের। বিজয় নাকি এক অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে’ লিপ্ত! আর এই খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। নেটিজেনদের তর্জনী এখন একজনের দিকেই স্থির তিনি তৃষা কৃষ্ণন।
কেন উঠছে তৃষার নাম?
সংগীতা তাঁর আবেদনে সরাসরি কোনও নাম না নিলেও, নেটিজেনরা দুইয়ে দুইয়ে চার করতে দেরি করেননি। বিজয় এবং তৃষার অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি তামিল ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জনপ্রিয়। ‘গিলি’, ‘থিরুপাচি’ বা ‘কুরুভি’র মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে তাঁদের রসায়ন ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০০৮ সালে ‘কুরুভি’র পর দীর্ঘ ১৫ বছর এই জুটিকে আর পর্দায় দেখা যায়নি। শোনা যায়, সেই সময় তাঁদের অতি-ঘনিষ্ঠতার কারণে বিজয়ের পরিবার থেকে তৃষার সঙ্গে কাজ করতে বারণ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে ‘লিও’ ছবিতে তাঁদের আবার এরসঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখার পর সেই গুঞ্জন আবার ফিরে আসে।
তৃষার নাম সামনে আসার পর তোলপাড় নেটপাড়া। একদল বিজয়কে কাঠগড়ায় তুলে বলছেন, বিশ্বাসের অভাবই এই বিচ্ছেদের কারণ। অন্যদল দোষ দিচ্ছেন তৃষার। তাঁদের দাবি, তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতিতেই বিজয়ের সোনার সংসার আজ ছারখার। এমনকি বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয় বাবাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করেছেন বলেও শোনা যাচ্ছে।
১৯৯৯ সালে সংগীতার সঙ্গে বিয়ে হয় বিজয়ের। তাঁদের দুই সন্তান জেসন ও দিব্যকে নিয়ে এতদিন সুখের সংসারই ছিল তাঁদের। কিন্তু হঠাৎ এই ডিভোর্সের খবর এবং ‘পরকীয়া’র তকমা বিজয়ের ইমেজের ওপর যে বড়সড় প্রভাব ফেলেছে তা বলাই বাহুল্য। যদিও এখনও পর্যন্ত বিজয় বা সংগীতা- কারও পক্ষ থেকেই কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি। এখন কোনদিকে গড়ায় তাঁদের সম্পর্কের ভবিষ্যত? সেই উত্তর সময় বলবে।