
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর প্রতিবাদে ৪ এপ্রিল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়ো থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল হয়। এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল ছিল না। সেই মিছিলে টলিপাড়ায় বিভিন্ন শিল্পী-টেকনিশিয়ানরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন স্টুডিয়োতে একটা গাছের নীচে বসে ছিলেন অভিনেতা জীতু কমল। রাহুলের ছবিতে মালা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি নিজের ছবিতে মালা পরিয়ে দেন। সামনে রাখেন মোমবাতি-ফুল। জীতুর দাবি ছিল, একটা শুটিং করতে গিয়ে তিনিও সমস্যায় পড়েন। আর্টিস্টস ফোরামকে সেই ব্যাপারে ই-মেল মারফত জানালেও উত্তর পাননি। শিল্পীরা বেঁচে থাকলে, বিষয়টা গুরুত্ব পায় না বলেই, তিনি প্রতীকী প্রতিবাদ করেন।
এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্য। তিনি একটি সাক্ষাত্কারে বলেন, ”জীতু যেটা করেছে, ভীষণ ভুল করেছে। ভীষণ অন্যায় করেছে। তারপর ওঁকে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। আজকে ও ক্ষমা চেয়েছে। আমি হলে ওঁকে ক্ষমাই করতাম না। আর্টিস্টস ফোরামের অনেক বড় মন, তাই ওঁকে ক্ষমা করেছে।” গত রবিবার বিকেলে আর্টিস্টস ফোরামের একটা মিটিংয়ে বিভিন্ন শিল্পীদের ডাকা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জীতু।
মৌসুমীর এই মন্তব্যে রাগে ফেটে পড়েন জীতু। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ”আমি প্রতীকী প্রতিবাদ করেছিলাম। তারপর আমাকে আর্টিস্টস ফোরামের মিটিংয়ে ডাকা হয়, এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হবে বলে। আমি গিয়েছিলাম, যদিও এই বিষয়টা নিয়ে কথা হয়নি। বলা হয়েছে, ডিসপিউট কমিটি তৈরি হলে, বিষয়টা নিয়ে প্রথমেই কথা হবে। কিন্তু আপনি কেন বললেন, আমি ক্ষমা চেয়েছি? কে ক্ষমা চেয়েছে? কেন ক্ষমা চাইতে যাব? নোংরামিটা কম করুন…আপনাদের মতো পার্টির কিছু সদস্য, সকালে প্রাক্তনের নামে কুত্সা রটান। সেই প্রাক্তনের থেকে সুবিধা পেলে, তার পায়ের তলায় বসে পড়েন। আপনারা পালটিবাজ। আমি নই…”
জীতু তাঁর ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, মৌসুমী সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছেন।