২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের উত্তাপের মাঝেই এবার শিরোনামে কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকালে কবির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল শুরু হয়। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই খবরটিকে ‘ভুয়ো’ বলে জানানো হয়। কিন্তু তার কিছু পরেই নিজের ফেসবুক পোস্টে বিস্ফোরক দাবি করেন শ্রীজাত।
কী লিখলেন শ্রীজাত?
শ্রীজাতর গ্রেফতারি পরোয়ানার খবর রটতেই কমিশনের তরফ থেকে সোশাল মিডিয়ায় স্পষ্ট জানানো হয়, তাঁদের দিক থেকে শ্রীজাতর বিরুদ্ধে এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ খবর একেবারেই ভুয়ো। কমিশন যখন খবরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, ঠিক তখনই সোশাল মিডিয়ায় শ্রীজাত লেখেন, “আমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। খবরটা ভুয়ো নয়, একশো ভাগ সত্যি। আপাতত এটুকুই। বাকি কথা পরে হবে।” কবির এই সংক্ষিপ্ত অথচ স্পষ্ট বার্তার পর স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে বিষয়টি নিয়ে জল্পনা দানা বেঁধেছে। কমিশনের টুইটের পরও কেন শ্রীজাত এমন লিখলেন, তা নিয়ে সন্দিহান নানা মহল।
বুধবার গ্রেফতারির খবর রটতেই টিভি নাইন বাংলা যোগাযোগ করেছিল শ্রীজাতর সঙ্গে। সেই সময় একান্ত সাক্ষাৎকারে শ্রীজাত বলেন, ”সকাল থেকেই বিষয়টা নিয়ে অনেক কথা শুনছি। আমার কাছে এখনও পর্যন্ত সরকারি কোনও তথ্য বা নথি নেই। আমি যতক্ষণ না সরকারিভাবেই কোনও নথি বা বিজ্ঞপ্তি পাচ্ছি, তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়াটা কঠিন বা অনুচিত। যেটুকু শুনেছি, আমার বিরুদ্ধে একখানা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, নিশ্চয়ই আদালত বা প্রশাসনের তরফ থেকে আমাকে যোগাযোগ করা হবে। সেটার জন্যই অপেক্ষা করছি। আমার যাঁদের সঙ্গে এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করার সেটা করেছি। কিন্তি যতক্ষণ না আমাকে কেউ কিছু জানাচ্ছেন, ততক্ষণ কেউই কিছুই করতে পারবেন না। তাই সেই সময়টার অপেক্ষা করছি।”
সময়টা ছিল ২০১৭ সাল। ফেসবুকে প্রকাশিত শ্রীজাতর ‘অভিশাপ’ কবিতাটি ঘিরে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। অভিযোগ ছিল, ওই কবিতায় ব্যবহার করা কিছু শব্দ হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে। সেই বিতর্কের জল গড়িয়েছিল অনেক দূর— ফেসবুক থেকে কবিতা সরিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে কবিকে সরাসরি খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই পুরনো মামলার জেরেই ফের বিপাকে কবি।
টিভি নাইন বাংলাকে এদিন শ্রীজাত জানান, ”তখনও হয়েছে, এখনও হয়েছে। এটা ভেবে আক্ষেপও হয়, ভালোলাগেও যে কবিকে এখনও রাষ্ট্র ভয় পায়। যদি কবিতার জন্য হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে মেনে নিতে হবে। কাগজটা আগে হাতে পাই, তখন আরও বিস্তারিত জানতে পারব। গ্রেফতারির ভয় পাচ্ছি না। কবিতা লিখেছি, অন্যায় তো করিনি। অন্যায় করলে নিশ্চয়ই ভয় পেতাম। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি জানি, আমি ন্যায়ের পক্ষে রয়েছি, কবিতার জন্য হয়েছে। তাহলে তো আমার ভয় পেলে চলবে না।” তবে এত কিছুর পর কেন তিনি ফেসবুকে এমন পোস্ট দিলেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।
২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের উত্তাপের মাঝেই এবার শিরোনামে কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকালে কবির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল শুরু হয়। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই খবরটিকে ‘ভুয়ো’ বলে জানানো হয়। কিন্তু তার কিছু পরেই নিজের ফেসবুক পোস্টে বিস্ফোরক দাবি করেন শ্রীজাত।
কী লিখলেন শ্রীজাত?
শ্রীজাতর গ্রেফতারি পরোয়ানার খবর রটতেই কমিশনের তরফ থেকে সোশাল মিডিয়ায় স্পষ্ট জানানো হয়, তাঁদের দিক থেকে শ্রীজাতর বিরুদ্ধে এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ খবর একেবারেই ভুয়ো। কমিশন যখন খবরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, ঠিক তখনই সোশাল মিডিয়ায় শ্রীজাত লেখেন, “আমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। খবরটা ভুয়ো নয়, একশো ভাগ সত্যি। আপাতত এটুকুই। বাকি কথা পরে হবে।” কবির এই সংক্ষিপ্ত অথচ স্পষ্ট বার্তার পর স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে বিষয়টি নিয়ে জল্পনা দানা বেঁধেছে। কমিশনের টুইটের পরও কেন শ্রীজাত এমন লিখলেন, তা নিয়ে সন্দিহান নানা মহল।
বুধবার গ্রেফতারির খবর রটতেই টিভি নাইন বাংলা যোগাযোগ করেছিল শ্রীজাতর সঙ্গে। সেই সময় একান্ত সাক্ষাৎকারে শ্রীজাত বলেন, ”সকাল থেকেই বিষয়টা নিয়ে অনেক কথা শুনছি। আমার কাছে এখনও পর্যন্ত সরকারি কোনও তথ্য বা নথি নেই। আমি যতক্ষণ না সরকারিভাবেই কোনও নথি বা বিজ্ঞপ্তি পাচ্ছি, তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়াটা কঠিন বা অনুচিত। যেটুকু শুনেছি, আমার বিরুদ্ধে একখানা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, নিশ্চয়ই আদালত বা প্রশাসনের তরফ থেকে আমাকে যোগাযোগ করা হবে। সেটার জন্যই অপেক্ষা করছি। আমার যাঁদের সঙ্গে এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করার সেটা করেছি। কিন্তি যতক্ষণ না আমাকে কেউ কিছু জানাচ্ছেন, ততক্ষণ কেউই কিছুই করতে পারবেন না। তাই সেই সময়টার অপেক্ষা করছি।”
সময়টা ছিল ২০১৭ সাল। ফেসবুকে প্রকাশিত শ্রীজাতর ‘অভিশাপ’ কবিতাটি ঘিরে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। অভিযোগ ছিল, ওই কবিতায় ব্যবহার করা কিছু শব্দ হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে। সেই বিতর্কের জল গড়িয়েছিল অনেক দূর— ফেসবুক থেকে কবিতা সরিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে কবিকে সরাসরি খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই পুরনো মামলার জেরেই ফের বিপাকে কবি।
টিভি নাইন বাংলাকে এদিন শ্রীজাত জানান, ”তখনও হয়েছে, এখনও হয়েছে। এটা ভেবে আক্ষেপও হয়, ভালোলাগেও যে কবিকে এখনও রাষ্ট্র ভয় পায়। যদি কবিতার জন্য হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে মেনে নিতে হবে। কাগজটা আগে হাতে পাই, তখন আরও বিস্তারিত জানতে পারব। গ্রেফতারির ভয় পাচ্ছি না। কবিতা লিখেছি, অন্যায় তো করিনি। অন্যায় করলে নিশ্চয়ই ভয় পেতাম। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি জানি, আমি ন্যায়ের পক্ষে রয়েছি, কবিতার জন্য হয়েছে। তাহলে তো আমার ভয় পেলে চলবে না।” তবে এত কিছুর পর কেন তিনি ফেসবুকে এমন পোস্ট দিলেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।