পুরীতে বেড়াতে গিয়েই বিয়ের সম্বন্ধ পাকা হয় সুচিত্রার, তারপর…
Suchitra Sen: এমনটা শোনা যায়, বাবা-মা এবং ভাইবোনদের সঙ্গে একবার জগন্নাথ দর্শন করতে পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন রমা। সেখানেই কলকাতার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার দিবানাথ সেনের ঠাকুমার নজরে পড়েন রমা। তাঁকে বাড়ির বউ করার জন্য ব্যস্ত ওঠেন তিনি।

রমা দাশগুপ্ত। এটাই ছিল সুচিত্রা সেনের বিয়ের আগের নাম। বাবা-মা, ভাই-বোনদের নিয়ে ছিল তাঁর দুনিয়া। অবিভক্ত বাংলাদেশে জন্ম সুচিত্রার। করুণাময় দাশগুপ্ত এবং ইন্দিরাদেবীর ঘর আলো করে জন্ম তাঁর। পরিবারের পঞ্চম সন্তান রমা কীভাবে হয়ে ওঠেন সুচিত্রা, সে এক কাহিনি। এমনটা শোনা যায়, বাবা-মা এবং ভাইবোনদের সঙ্গে একবার জগন্নাথ দর্শন করতে পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন রমা। সেখানেই কলকাতার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার দিবানাথ সেনের ঠাকুমার নজরে পড়েন রমা। তাঁকে বাড়ির বউ করার জন্য ব্যস্ত ওঠেন তিনি।
শোনা যায়, অবাধ্য নাতি দিবানাথকে বিয়ে দিয়ে সংসারী করতে চেয়েছিলেন তাঁর ঠাকুমা। আপত্তি করেনি দাশগুপ্ত পরিবার। রমার বিয়ে হয়ে যায় সেই বাড়িতে। কলকাতার বিরাট বনেদি বাড়ির বউ তখন রমা। অতবড় বাড়িটায় দম আটকে যেত তাঁর। কেবলই বাবা-মা এবং ভাই-বোনদের কথা মনে পড়ত।
বিয়ের পরই সিনেমা জগতে আসেন সুচিত্রা। সুন্দরী স্ত্রীকে সিনেমায় আনেন স্বামী দিবানাথই। বাকিটা ইতিহাস। ক্রমেই রমা থেকে সুচিত্রা হয়ে ওঠেন। সুচিত্রা থেকে ওঠেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। অভিনয় কেরিয়ারে তাঁর নামের পাশে বসে স্বপ্নসুন্দরী তকমাটিও। তাঁর মোহিনী হাসি আজও ভুলতে পারেন না দর্শক। তাঁকে নিয়ে আজও দর্শক মনে কত না কৌতূহল। অন্তরালে চলে যাওয়ার পর সেই কৌতূহলের পারদ আরও বেড়েছে। কিন্তু শক্ত মতাদর্শে বিশ্বাসী সুচিত্রা নিজের সিদ্ধান্ত থেকে কোনওদিনই সরে আসেননি। নিজেকে স্বতন্ত্র করতে পেরেছিলেন মহানায়িকা।
