
‘ভাল থেকো তারাদের দেশে’—বুধবার মধ্যরাতে এ জাতীয় প্রায় হাজার খানেক পোস্টে ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়া। রটল ঐন্দ্রিলা শর্মা মৃত্যুর ভুয়ো খবর। নেটিজেনদের একটা বড় অংশ থেকে শুরু করে ঐন্দ্রিলার দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের বিপুল এক অংশ ফেসবুকে দিলেন ‘পোস্ট’। তবে হাসপাতাল সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, যা রটেছে তা শুধুই রটনা। ঐন্দ্রিলার অবস্থা অতি সঙ্কটজনক হলেও তিনি এখনও লড়ে যাচ্ছেন। ভেন্টিলেশনেই রয়েছেন, তাঁকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় মরিয়া চিকিৎসকেরা।
বুধবার সকালে আচমকাই একাধিকবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন বছর ২৪-এর অভিনেত্রী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছিল, ‘সিপিআর’ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, সিপিআর দেওয়ার পর অবস্থা কিছুটা সামাল দিতে পারেন চিকিৎসকেরা। সেই সময়ের মতো ধাতস্থ হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। যদিও সঙ্কট কাটেনি। গায়েও জ্বর রয়েছে। এ ছাড়াও বাড়তি চিন্তা নতুন করে দেহে বাসা বাঁধা সংক্রমণ। গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় হঠাৎই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন দু’বার ক্যান্সারজয়ী ঐন্দ্রিলা। সেদিন তাঁর অন্য কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল না বলেই জানা গিয়েছে। রান্না ঘরে গল্প-গল্প করতে-করতে অচৈতন্য হয়ে পড়েন। একটুও সময় নষ্ট না করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চলছে তাঁর চিকিৎসা।
গত সপ্তাহে চিকিৎসায় বেশ সাড়াও দিচ্ছিলেন অভিনেত্রী। তাঁকে ভেন্টিলেশনে সি-প্যাপ সাপোর্টে রাখা হলেও মাঝে মধ্যেই হাত খানিক নেড়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। চিকিৎসকেরাও আশার আলো দেখছিলেন। কিন্তু গত তিন দিন ধরে শরীর আবার অবনতি করেছে তাঁর। এমনকি প্রেমিক সব্যসাচীও প্রার্থনা করতে বলেছিলেন সকলকেই তিন দিন আগেই। জানা গিয়েছে,তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর মাথার যে দিকে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল তাঁর বিপরীত দিকে রক্ত জমাট বেঁধেছে। ঐন্দ্রিলার জন্য সারা সোশ্যাল মিডিয়ায় জুড়েই চলছে প্রার্থনা। ফিনিক্স হয়ে ফিরে আসুন তিনি– চাইছেন সকলেই।