জল ভর্তি চৌবাচ্চায় মাধুরীকে ধর্ষণ! বাধা দেওয়ার চেষ্টা নায়কের, শেষমেশ চোখের সামনেই…
সালটা ১৯৯৬। মুক্তি পেল মাধুরী দীক্ষিত ও ঋষি কাপুরের ছবি প্রেম গ্রন্থ। বক্স অফিসে সেই সময় হইচই ফেলে দিয়েছিল এই ছবি। সঙ্গে এই ছবির এক দৃশ্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কও উঠেছিল প্রবল। যেখানে জল ভর্তি এক চৌবাচ্চায় মাধুরী ধর্ষণ করার এক দৃশ্য নিয়ে তোলপাড় উঠেছিল।

সালটা ১৯৯৬। মুক্তি পেল মাধুরী দীক্ষিত ও ঋষি কাপুরের ছবি প্রেম গ্রন্থ। বক্স অফিসে সেই সময় হইচই ফেলে দিয়েছিল এই ছবি। সঙ্গে এই ছবির এক দৃশ্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কও উঠেছিল প্রবল। যেখানে জল ভর্তি এক চৌবাচ্চায় মাধুরী ধর্ষণ করার এক দৃশ্য নিয়ে তোলপাড় উঠেছিল। সিনেমার সমালোচকদের একাংশ এই দৃশ্যকে অত্য়ন্ত কুরুচি বলেও আক্রমণ করেছিলেন। অনেকে আবার মনে করেছিলেন, এই দৃশ্য দর্শকদের মননে, আঘাত হানতে পারে। সেন্সর বোর্ড অবশ্য এই দৃশ্যেকে মাথায় রেখে U/A সার্টিফিকেট দিয়েছিল এই ছবিকে। তবুও বিতর্ক থামেনি। তবে এই দৃশ্যের নেপথ্য়ে রয়েছে এক গল্প। যা কিনা সেই সময়ে গসিপ ম্য়াগাজিনের কভার জায়গা করে নিয়েছিল।
শোনা যায়, ‘প্রেম গ্রন্থ’ ছবির এই ধর্ষণ দৃশ্য নিয়ে তুমুল ঝামেলা শুরু হয়েছিল ঋষি কাপুর ও রাজীব কাপুরের মধ্যে। চিত্রনাট্যে এই দৃশ্যের কথা জেনে, ঋষি নাকি প্রথমে আপত্তি করেছিলেন। এমনকী, ছবির পরিচালক রাজীবকে স্পষ্ট বলেছিলেন, এই দৃশ্য বিভৎস। ভারতীয় সিনেমার দর্শকরা একেবারেই মেনে নেবেন না। কিন্তু ঋষির হাজার বাধা সত্ত্বেও, রাজীব অবশ্য এটাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ছিলেন। তবে ঋষির সোজা জানিয়ে ছিলেন, এই দৃশ্যের শুটিংয়ের দিন তিনি থাকবেন ক্য়ামেরার পিছনে।

প্রেম গ্রন্থ ছবির সেই ধর্ষণের দৃশ্য।
কয়েক দিন আগেই এই দৃশ্য নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেতা গোবিন্দ নামদেব। এই দৃশ্যে মাধুরীর বিপরীতে তিনিই ছিলেন। গোবিন্দ সাক্ষাৎকারে জানিয়ে ছিলেন, খুবই টেনশনে ছিলাম মাধুরীর মতো অভিনেত্রীর সঙ্গে এমন দৃশ্য করার জন্য আমার তো হাত-পা কাঁপছিল। তবে মাধুরীই আমাকে কমফোর্টেবল করেন। আমার ভয় ছিল, এরকম ধর্ষণের দৃশ্য করতে গিয়ে ভুলভাল না কিছু হয়ে যায়। কিন্তু মাধুরী আমাকে নিশ্চিন্ত করেছিলেন।
