AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সুচিত্রা সেনকে নিয়ে বিবাদ, গুলজারের ‘চড়’ খেয়েই পরের দিন অমিতাভের হাত ধরলেন রাখি?

একদিন শ্যুটিং শেষে হোটেলের একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে মদ্যপ অবস্থায় সঞ্জীব কুমার সুচিত্রা সেনের সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ শুরু করেন এবং তাঁর হাত ধরে টানেন। সেই পরিস্থিতিতে সুচিত্রাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন গুলজার। তিনি মহানায়িকাকে তাঁর হোটেলের ঘর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে যান।

সুচিত্রা সেনকে নিয়ে বিবাদ, গুলজারের ‘চড়’ খেয়েই পরের দিন অমিতাভের হাত ধরলেন রাখি?
| Updated on: Apr 25, 2026 | 3:55 PM
Share

গুলজার এবং রাখি তাঁদের প্রেম কাহিনী কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম নাটকীয় ছিল না। কিন্তু ১৯৭৫ সালে কাশ্মীর উপত্যকায় গুলজারের ছবি ‘আঁধি’-র শ্যুটিং চলাকালীন এক চরম মুহূর্ত তাঁদের সম্পর্কের মোড় আজীবনের মতো ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সম্প্রতি সেই পুরনো গল্পই এখন বলিউডের চর্চায়।

কী ঘটেছিল সেই সময়?

তখন ‘আঁধি’ ছবির শ্যুটিং চলছিল কাশ্মীরে। ছবিতে অভিনয় করছিলেন অভিনেতা সঞ্জীব কুমার এবং মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। জানা যায়, একদিন শ্যুটিং শেষে হোটেলের একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে মদ্যপ অবস্থায় সঞ্জীব কুমার সুচিত্রা সেনের সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ শুরু করেন এবং তাঁর হাত ধরে টানেন। সেই পরিস্থিতিতে সুচিত্রাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন গুলজার। তিনি মহানায়িকাকে তাঁর হোটেলের ঘর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে যান।

গুঞ্জন রটে, সুচিত্রা সেনকে পৌঁছে দিতে গিয়ে গুলজার তাঁর ঘরে বেশ দীর্ঘ সময় কাটান। অন্যদিকে, রাখি বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তাঁর স্বামীর জন্য। গুলজার যখন ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাখি। স্বামীর কাছে কৈফিয়ত তলব করেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ বাদানুবাদের মাঝে মেজাজ হারান গুলজার এবং রাখিকে ‘চড়’ মারেন বলে জানা যায়। এই ঘটনায় মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী।

বিয়ের আগে গুলজারের শর্ত ছিল যে, রাখি অভিনয় ছেড়ে দেবেন। নিজের কেরিয়ারের মধ্যগগনে থেকেও গুলজারের ইচ্ছায় সেই শর্ত মেনে নিয়েছিলেন রাখি। কিন্তু কাশ্মীরের সেই ঘটনার পরদিন সকালেই পাশা উল্টে যায়। পরিচালক যশ চোপড়া কাশ্মীরে এসে রাখিকে তাঁর নতুন ছবি ‘কভি কভি’-র প্রস্তাব দেন। গুলজারের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও রাখি সেই দিনই অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে ছবিটিতে সই করেন। এটিই ছিল তাঁর কেরিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু এবং একইসঙ্গে গুলজারের থেকে আলাদা হওয়ার পথে প্রথম পদক্ষেপ।

‘কভি কভি’ মুক্তির পরই গুলজার ও রাখি আলাদা থাকা শুরু করেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, গত কয়েক দশকে তাঁরা কখনোই আইনিভাবে ডিভোর্স নেননি। জানা যায়, মেয়ে মেঘনা গুলজারের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আজ তাঁরা দুজনেই প্রবীণ, কিন্তু একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট। রাখি একবার সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমরা হয়তো বলিউডের সেরা বিচ্ছেদী দম্পতি। আমরা অনেক বিবাহিত দম্পতির চেয়েও ভালো বন্ধু।”

Follow Us